সেমির ডেডলক খুলতে মরিয়া ইংল্যান্ড

লন্ডন : নাউ অর নেভার।

ইংল্যান্ড এবং ডেনমার্ক দুই শিবিরের মেজাজ অনেকটাই সেরকম।

- Advertisement -

থ্রি লায়ন্সদের শিবিরকে যেমন। অনুশীলনে ফুটবলাররা হাসছেন। খোশমেজাজে গল্প করছেন। তাদের সঙ্গে ঠাট্টায় যোগ দিচ্ছেন কোচ গ্যারেথ সাউথগেট। ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ইউরোর সেমিফাইনালে নামার আগে থ্রি লায়ন্সের ডেরার ছবিটা এমনই খোলামেলা। তবে সেই ফুরেফুরে মেজাজের অন্তরালে দুশ্চিন্তার যে খচখচানি তা আড়াল হওয়ার নয়।

১৯৬৬-এর বিশ্বকাপের পর থেকে ২০১৮-এর রাশিয়া ওয়ার্ল্ড কাপ দীর্ঘ সময়ে ইংরেজদের ফুটবল সাফারি যতটা আনন্দদায়ক তার চেয়ে বেশি বেদনাবিধুর। ৬৮ কিংবা ৯৬-এর ইউরো হোক কিংবা ৯০, ২০১৮-র বিশ্বকাপ- টুর্নামেন্টের শেষ চার মানেই ইংল্যান্ডের বিদায় মঞ্চ। ৫৩ বছরে ছবিটা একই থেকে গিয়েছে। ভাগ্যের চাকা এবার ঘুরবে আশাবাদী সাউথগেট। ইংরেজ কোচ জানিয়েছেন, দেশকে খুশি করার এটাই সুবর্ণ সুযোগ হ্যারি কেনদের সামনে।

বুধবার রাতে ওয়েম্বলিতে জিততে পারলে ১৯৬৬-র পর সেমির ডেডলক খুলে ফেলবে ইংল্যান্ড। সেই সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না সাউথগেট। সেটা মাথায় রেখেই কেনদের কোচ বার্তা দিয়েছেন, ইংল্যান্ডের ম্যাচ দেশের মানুষকে একত্রিত করে। সেই সমর্থকদের কথা ভেবে ফুটবলারদের খেলতে হবে। এটা স্পেশাল মুহূর্ত। সেই সুযোগ হাতছাড়া করলে চলবে না।

ওয়েম্বলিতে সিংহের থাবায় ড্যামেজ হবে ড্যানিশ ডিনামাইট, আশায় বুক বাঁধছে থ্রি লায়ন্স সমর্থকরা। দলের পক্ষে সুখবর, ডেনমার্ক ম্যাচের আগে গোড়ালির চোট সারিয়ে উঠেছেন বুকায়ো সাকো। তবে ইউক্রেন ম্যাচে সুযোগ পেয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন জ্যাডন স্যাঞ্চো। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের নতুন মুখের প্রশংসা শোনা গিয়েছে ক্লাব অধিনায়ক হ্যারি মাগুইরের গলাতেও। সুযোগ পাচ্ছেন না ফিল ফোডেন, জ্যাক গ্রিলিসের মতো পরিচিত মুখ। ফলে সেমিফাইনালের প্রথম এগারো বাছাই এখন চ্যালেঞ্জ ইংল্যান্ড কোচের সামনে।