জয়ের অঙ্ক কষা শুরু ইংল্যান্ডের

লন্ডন : ৫৫ বছর, ৩০২ ম্যাচ আর ১.৪ লক্ষ মাইল যাত্রাপথ। তার শেষে ইংল্যান্ডের প্রাপ্তি দ্বিতীয়বার ফাইনাল দর্শন।

বুধবারের পর খুশির সপ্তম স্বর্গে রানির দেশ। সামনে এবার ইউরোপ সেরার হাতছানি। ১৯৬৬-র ওয়েম্বলিতে ইতিহাস রচনা করেছিলেন ববি চার্লটন, ববি মূররা। ৫৫ বছর পর হ্যারি কেনরা পারবেন? উত্তেজনায় ফুটছেন টেমস তীরের বাসিন্দারা।

- Advertisement -

ইংল্যান্ডের কাপ আর জয়ের মাঝে প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে এখন ইতালি। আজুরি-হার্ডল পেরোতে পারলেই প্রথমবার ইউরোপ জয়ে তাজ পড়বেন ম্যাসন মাউন্টরা। মঞ্চটাকে কঠিন ঠাঁই হিসেবে দেখছেন গ্যারেথ সাউথগেট। সেমিফাইনালে ডেনমার্ককে হারানোর পর থ্রি লায়ন্স সমর্থকদের সঙ্গে সুইট ক্যারোলে গলা মেলালেও তাই বাস্তবের মাটি থেকে পা সরছে না ইংল্যান্ড হেডকোচের। সাউথগেটের স্পষ্ট বার্তা, আমরা ফাইনালে, এই অনুভূতি তৃপ্তিদায়ক। তবে কোনওকিছুই প্রাপ্তি হয়নি। সেটার জন্য ফাইনালে লড়ে জিততে হবে।

উলটোদিকে অশ্বমেধের ঘোড়া রবার্তো মানচিনির ইতালি। সাউথগেটের গলায় সমীহের সুর। বললেন, ইতালি শক্তিশালী দল। সেটা শুধু ইউরোতে নয়, গত কয়েক বছর ধরেই। ফর্মের চূড়ায় রয়েছে ইতালির টিম। ফাইনাল যথেষ্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে। তবে আজুরিদের সমীহ করলেও নিজেদের ব্যাকফুটে মানতে নারাজ সাউথগেট। ৫০ বছরের ইংরেজ প্রশিক্ষকের হুঁশিয়ারি, ফাইনাল কেউ হারতে নামে না। ওটা জয়ের মঞ্চ। আমরা সেই জয় অর্জনের লক্ষ্যে অবিচল। তবে ফাইনালের আগে প্রস্তুতিতে কম সময় পাচ্ছেন কেনরা। সেটাই ভাবাচ্ছে সাউথগেটকে।

একইসুর দলের অধিনায়ক হ্যারি কেনের গলায়। ডেনমার্ক ম্যাচের নায়ক বলেছেন, ইতালি প্রতিপক্ষ হিসেবে কতটা কঠিন, তা আমাদের অজানা নয়। গোটা টুর্নামেন্ট আমাদের দারুণ গিয়েছে। সেই রেশ আমরা ফাইনালেও বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। কোচ-অধিনায়কের উজ্জীবিত বার্তাতেই এখন ইটস কামিং হোমের স্বপ্ন দেখছে গোটা ইংল্যান্ড।