ইতালিতে সম্মান পান না ডোনারুম্মা

লন্ডন : কিংবদন্তি বুঁফোর সঙ্গে তাঁর প্রথম নামের অদ্ভুত মিল। নামের মতো মিল কাজের ক্ষেত্রেও।

তারপরেও বুঁফো নামক কিংবদন্তির জন্য যে সম্মান, বিস্ময় ঝরে পড়ে ইতালিয়ানদের চোখে, তার ছিঁটেফোঁটাও নেই জিয়ানলুইজি ডোনারুম্মাকে ঘিরে। বিশেষ করে নতুন মরুশুমে তাঁর এসি মিলান ছাড়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকে। পাওলো মালদিনিদের ঘরে ২২ বছরের তরুণ ইতালিয়ান গোলরক্ষক এখন শুধুই প্যারাসাইট!

- Advertisement -

অথচ দেশের জার্সি গায়ে যদি চোখ রাখা যায় ডোনারুম্মার পারফরমেন্সে তাহলে চোখ কচলাতেই হবে ফুটবলবিশ্বকে। পরিসংখ্যান বলছে, ইউরোর আসর মিলিয়ে টানা ৮৭৪ মিনিট কোনও গোলহজম করেননি ডোনারুম্মা। সবমিলিয়ে টানা ১১ ম্যাচে ক্লিনশিট বজায় রেখে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে রবার্তো মানচিনির দল। সঙ্গে ৩০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার তকমা। ইউরো কাপের গ্রুপ পর্ব জুড়ে এখন শুধু আজ্জুরিদের কমপ্লিট ফুটবলের সুগন্ধ। নবজাগরণের সেই রূপকথার অন্যতম কারিগর যে নতুন জিয়ানলুইজি, তা স্বীকার করতেই হবে অতিবড় ইতালিভক্তকেও।

অপরাজেয় সেই দৌড়ে নতুন অধ্যায় সংযোজন করতেই শনিবার ইউরো কাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামছে ইতালি। সামনে অস্ট্রিয়া। আর একটা ম্যাচ জিতলেই কিংবদন্তি ভিত্তোরিও পোজ্জোর ঐতিহাসিক দলের নজির ভাঙবে ম্যানচিনির দল। রেকর্ডের চাপ যে বড় বালাই, সেটা ভালোই বুঝতে পারছেন প্রফেসর। তাই অস্ট্রিয়ার শামুকে যাতে পা না কাটে, তাই টুর্নামেন্টের শেষ ষোলোর লড়াইকে শূন্য থেকে শুরুর সঙ্গে তুলনা টানলেন মানচিনি। তাঁর কথায়, প্রি-কোয়ার্টার আমার কাছ সম্পূর্ণ নতুন টুর্নামেন্ট। লড়াইটা আরও কঠিন। যদি ছেলেরা আগের ম্যাচগুলির মতো খেলতে পারে, তাহলে আমি খুশি। ফর্মে থাকা ম্যানুয়েল লোকাতেnf নাকি অভিজ্ঞ মার্কো ভেরাত্তি- কে শুরু করবেন, তা নিয়ে চিন্তায় ইতালির হেড স্যর। তবে একজন ভালো ফুটবলারকেই বসতে হবে, আপশোশ ম্যানচিনির গলায়।