মধ্য আকাশে ইঞ্জিনে গণ্ডগোল, কড়া নির্দেশ গো-এয়ারকে  

592

নয়াদিল্লি: নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ গো-এয়ারের। বাড়তি তিন মাস সময় দেওয়া হলেও প্র্যাট ও ওয়াইটনির সব ইঞ্জিনের পাশাপাশি প্রায় ২০ টি এ৩২০নিও বিমানের ইঞ্জিন এখনও পরিবর্তন করে উঠতে পারল না ভারতীয় এই উড়ান সংস্থা।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের এপ্রিল থেকেই প্র্যাট ও ওয়াইটনির ইঞ্জিন বিশিষ্ট ইন্ডিগো এবং গো-এয়ারের এ৩২০নিও বিমানগুলি মধ্য আকাশে ইঞ্জিনে গণ্ডগোলের সম্মুখীন হচ্ছে। তার ভিত্তিতে ২০১৯ সালের শেষের দিকে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসিএ) নির্দেশ দেয়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের মধ্যে সব উড়ান সংস্থাকে প্র্যাট ও ওয়াইটনির ইঞ্জিনের জায়গায় উন্নততর বা পরিবর্তিত ইঞ্জিন ব্যবহার করতে হবে। সেই নির্দেশ পূরণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট বিমানগুলি বসিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। যদিও পরবর্তীতে সেই সময়সীমা প্রথমে ৩১ মে এবং পরে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত করা হয়েছিল।

- Advertisement -

অন্যদিকে, গো-এয়ারের মুখপাত্র দাবি করেছেন, ‘প্র্যাট ও ওয়াইটনির সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিমান চলাচলে ব্যবহার করা পিডব্লুউ১১০০জি-জেএমের সব ইঞ্জিনের তৃতীয় পর্যায়ের লো-প্রেসার টারবাইন উন্নততর করেছে। এখনও পর্যন্ত সেই উন্নততর টারবাইন বেশ কাজ করছে। গো-এয়ারের সুরক্ষা প্রথম নীতি অনুযায়ী এবং ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশনের নির্দেশ মতো যাবতীয় নিরাপত্তা বিধি মেনে সব বিমান চলছে। প্র্যাট ও ওয়াইটনির সহায়তায় উড়ান পরিষেবা বন্ধ এবং পরবর্তীকালে উড়ান পরিষেবা শুরু হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে সেই কাজটা করা হয়েছে।’

যদিও গো-এয়ারের সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে প্র্যাট ও ওয়াইটনি। সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, গো-এয়ারের অধিকাংশ বিমানের ইঞ্জিন উন্নত করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছে। যে কয়েকটি বাকি আছে, সেগুলির কাজ শেষ করার জন্য গো-এয়ারের সঙ্গে কথা বলে কাজ করা হচ্ছে।