রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লকার থেকে গায়েব ৬০ ভরি সোনা!

0
246
প্রতীকী
- Advertisement -

বর্ধমান: একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লকার থেকে লোপাট হয়ে গেল ব্যাংক গ্রাহকের প্রায় ৬০-৭০ ভরি সোনার গয়না। শহর বর্ধমানের বাদামতলার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এমন ঘটনা ঘটায় গ্রাহক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গ্রাহকের অজান্তে কীভাবে ব্যাংকের লকার থেকে সোনার গহনা গায়েব হল তা নিয়ে নানা মহল থেকে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশ সোনার গয়না গায়েব হওয়ার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

ব্যাংকের লকার থেকে সোনার গয়না গায়েব হওয়ার ঘটনা বিষয়ে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন গ্রাহক পবিত্র সামন্ত। তাঁর বাড়ি শহর বর্ধমানের বনমসজিদ পাড়ায়। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। শেষ কবে লকার খোলা হয়েছিল তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। ব্যাংকের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চেয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বনমসজিদ পাড়ার বাসিন্দা পবিত্র সামন্তর পরিবার প্রায় ৪০ বছর ধরে পরিবারের সোনা ওই ব্যাংকের লকারে রাখেন। পরিবার সদস্যরা জানিয়েছেন, বছর দু’য়েক আগে শেষবার তাঁরা লকার খুলেছিলেন। তারপর পরিবারের কেউই আর লকার খোলেননি। পবিত্রবাবু পুলিশকে জানিয়েছেন, গত শনিবার বেলা পৌনে ১২টা নাগাদ দু’জন তাঁদের বাড়িতে আসেন। তাঁরা নিজেদের ব্যাংকের কর্মচারী বলে পরিচয় দেন। সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। একটি চিঠি তাঁরা পুত্রবধূকে দিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, চিঠিপ্রাপ্তির কথা পুত্রবধূর কাছে লিখিয়ে নেওয়া হয়। যদিও ব্যাংক কর্মচারী পরিচয় দিয়ে আসা ওই ব্যক্তিরা চিঠিতে তারিখ উল্লেখ করতে পুত্রবধূকে বারণ করেন। ওইদিন বাড়ি ফিরে চিঠি খুলে তিনি দেখেন, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ লকারের বিষয়ে আলোচনার জন্য তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছেন। তৎক্ষণাৎ তিনি ব্যাংকে যান। ব্যাংক ম্যানেজার তাঁকে জানান, লকার খোলা রয়েছে। সেখানে কোনও সোনার গয়না নেই। এনিয়ে জানতে চাওয়া হলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সদুত্তর দিতে পারেনি।

পবিত্রবাবুর অভিযোগ, ব্যাংকেরই কেউ বিশ্বাসভঙ্গ করে লকার থেকে সোনা গায়েব করে দিয়েছে। লকারে রাখা সোনা ব্যাংকের কর্মী ছাড়া অন্য কেউ সরাতে পারেন না।

- Advertisement -