গুরুগ্রাম, ২৩ নভেম্বরঃ পুলিশের চাপেই বাধ্য হয়ে খুনের কথা কবুল করেছিলেন। জেল থেকে বেরিয়ে এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন প্রদ্যুম্ন ঠাকুর হত্যাকাণ্ডে ধৃত বাসচালক অশোক কুমার। স্কুলপড়ুয়া প্রদ্যুম্ন খুন হওয়ার পর গুরুগ্রাম পুলিশ জানিয়েছিল অশোকই গলা কেটে খুন করেছে ওই ছাত্রকে। অশোককে গ্রেফতারও করা হয়। কিন্তু পুলিশের হাত থেকে সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার যাওয়ার পরেই বদলে যায় চিত্রটা। সিবিআই জানায়, প্রদ্যুম্নকে অশোক নয়, খুন করেছে রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলেরই এক পড়ুয়া। অশোকের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে কোনো প্রমাণ না থাকায় পরশু জামিন পান তিনি। জেল থেকে বেরিয়ে এক সাক্ষাৎকারে অশোক জানিয়েছেন, পুলিশ তাকে খুনের কথা কবুল করানোর জন্য মারধর করেছে। জেল থেকে বেরনোর পর দৃশ্যতই বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল অশোককে। বেশি কথাও বলতে পারছিলেন না তিনি। অশোকের স্ত্রী জানান, শুধুমাত্র মারধরই নয়, খুনের কথা কবুল করানোর জন্য তাঁর স্বামীকে উলটো করে ঝুলিয়ে রাখা, ইলেকট্রিক শক দেওয়া এমনকি ঘুমের ওষুধ খাইয়ে খুনের কথা স্বীকার করিয়ে নেওয়ার মতো কাজ করেছে পুলিশ। অশোকের স্ত্রী বলেন, তাঁদের বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থা আছে।

 

ছবি সৌজন্যঃ পিটিআই