সোশ্যাল মিডিয়ার আমিরকে কী বললেন ভাজ্জি!

নয়াদিল্লি : হরভজন সিং-মহম্মদ আমিরের তরজায় সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া। পাকিস্তান ম্যাচে ভারতের জঘন্য হারের পর শোয়েব-ভাজ্জি একপ্রস্ত লেগেছিল। তা ছিল খানিকটা মজার মেজাজে। কিন্তু আমিরের সঙ্গে হরভজনের ঝামেলা সব সীমা ছাড়িয়ে গেল।

রবিবারের ম্যাচ শেষে বিরাট ও বাবরদের মধ্যে সম্প্রীতির ছবি ভাইরাল হয়েছিল। যদিও প্রাক্তনদের লড়াইয়ে সেই ছবি উধাও। আমিরকে পালটা জবাব দিতে গিয়ে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারির কথা মনে করিয়ে তীব্র কটাক্ষ ছুঁড়ে দিলেন টার্বুনেটর।

- Advertisement -

বিতর্কের শুরুটা আমিরের টুইট থেকে। যেখানে প্রাক্তন পাক স্পিডস্টার লিখেছিলেন, তোমার বোলিং দেখছিলাম ইউটিউবে। কীভাবে শাহিদ আফ্রিদি তোমাকে চার বলে চারটি হাঁকিয়েছে দেখছিলাম। ক্রিকেটে এটা হতেই পারে। কিন্তু টেস্টে প্রায় দেখাই যায় না। মারটা একটু বেশিই হয়ে গিয়েছিল।

খোঁচাটা হজম করতে পারেননি ঠোঁটকাটা হরভজন। পালটা কটাক্ষে ২০১০-এর লর্ডস টেস্টের স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে আনেন। ওই ম্যাচে অর্থের বিনিময়ে বুকিদের কথায় নো বল করেছিলেন মহম্মদ আমির। দুর্নীতির দমন শাখার তদন্তের পর নির্বাসন, জেলের ঘানি পর্যন্ত টানতে হয়েছে।

ভাজ্জি সেই ঘটনাকে টেনে এনে লেখেন, লর্ডসে নো বলটা কী করে হয়েছিল? কতটা অর্থ নিয়েছিল? কে দিয়েছিল? টেস্ট ক্রিকেটে নো বল হয় কী করে? তোমার এবং তোমার সমর্থকদের লজ্জিত হওয়া উচিত মহান এই খেলাকে কলুষিত করার জন্য।

হরভজন সেই লর্ডস টেস্টে আমিরের সেই বিতর্কিত নো বলের ছবিও পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখানেই থেমে থাকেননি চারশো টেস্ট উইকেটের মালিক। টার্বুনেটর আরও লেখেন, শুধু টাকা আর টাকা। তোমাদের কাছে সম্মান মূল্যহীন। দেশবাসী ও সমর্থকদের বলতে পারবে কত টাকা পেয়েছিলে? ভাগো, কথা বলাই উচিত নয় তোমার সঙ্গে।

ভাঙলেও আমির মচকাতে রাজি নন। হাতিয়ার করেন, হরভজনের অবৈধ বোলিং অ্যাকশন বিতর্ক, আমার অতীত নিয়ে বলছ। নিজের অবৈধ বোলিং অ্যাকশন নিয়ে কিছু বলো। তিন দিন আগেই তোমাদের মুখ বন্ধ করে দিয়েছি। এখন দেখো, কীভাবে আমরা বিশ্বকাপ জিতি। মাঠে গিয়ে হাওয়া খাও, মন ফুরফুরে থাকবে।