মার্চের শেষদিকে ইস্টবেঙ্গল-বাঙুর কথা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : দিন দুয়েক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে আইএসএল যাত্রা। কোচ-ফুটবলারদেরও বেশিরভাগই বাড়ির পথ ধরেছেন। এবার ক্লাবের সঙ্গে সমস্যা মেটানোর পালা এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তৃপক্ষের।

আর সেটা মেটাতেই দুবাই থেকে এই মার্চেই দেশে ফিরছেন হরিমোহন বাঙুর। মূলত হোলির জন্য প্রতিবারই আসেন তিনি। এবার এর সঙ্গে জুড়েছে কলকাতা সফর। সৌজন্যে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তাদের চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ক বিরোধিতা। এখনও পর্যন্ত টার্ম শিটে সই করা নিয়ে টালবাহানা করেই চলেছেন ক্লাব কর্তারা। কলকাতায় থাকা এসসি কর্তারা চেষ্টা করেও চুক্তিপত্রে সইসাবুদ আদায় করতে ব্যর্থ। অবশেষে আসরে নামতে হচ্ছে মালিককেই। তিনিই বসবেন বিষয়টি নিয়ে। শোনা যাচ্ছে আলোচনায় থাকতে পারেন রিলায়েন্সের এক বড় কর্তাও।

- Advertisement -

ইতিমধ্যেই আগামী মরশুমের পরিকল্পনা এবং কিছু কিছু চুক্তি করা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এরপরেও ক্লাব কর্তাদের এই বিরোধিতার ফলে বাকি কাজ এগনো সম্ভব হচ্ছে না এসসি কর্তাদের পক্ষে। তাঁদের তরফে এখন এও বলা হচ্ছে, বিনিযোগকারি সংস্থার প্রধান হরিমোহন বাঙুরের আসার পরেও যদি জট না খোলে তাহলে কিন্তু ভবিষ্যৎ অন্ধকার। কারণ এই মরশুমের মতো করে আর বিনিয়োগে উৎসাহী নয় শ্রী সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ। এবার যাবতীয় স্পোর্টিং রাইটসসহ ক্লাবেরও আভ্যন্তরীন বিষয়ে নিজেদের অধিকার চাইবেন তাঁরা।

সেটা না হলে কাজ আর এগোবে না। তবে তাতে যে ক্লাবেরই বিপদ বাড়বে সেকথা কিন্তু ইতিমধ্যেই ঠারেঠোরে শুধু বাঙুরগোষ্ঠীই নয়, এফএসডিএল-ফেডারেশনও বুঝিয়ে দিয়েছে। বিনা টাকায় কিছুই ফিরিয়ে দেবে না বিনিযোগকারিরা। প্রচুর আর্থিক দায় থাকবে। যা ক্লাবকে মেটাতে হবে। সেটা না মেটাতে পারলে এএফসি লাইসেন্সিং হবে না। সেক্ষেত্রে আইএসএল তো দূরের কথা, কোনো লিগেই খেলা হবে না ইস্টবেঙ্গলের। এমনকি আইএফএতে পর্যন্ত নতুনকরে নাম নথিভুক্ত করাতে হবে ইস্টবেঙ্গল এফসিকে।