পঞ্চায়েতে অনাস্থা রুখতে দলেরই ১১ জনকে অপহরণের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

246

হরিশ্চন্দ্রপুর: গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে গিয়ে আজ সকাল সকাল হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লক অফিসে হাজির হয়ে গিয়েছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার দৌলতনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের ১২ জন বিক্ষুব্ধ সদস্য। কিন্তু অনাস্থার কাগজপত্র জমা করার আগেই ব্লক অফিস থেকেই অপহরণের অভিযোগ উঠল শাসকদলেরই ১১ জন পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে। এর জেরে উত্তেজনা ছড়ায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকায়।

বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে তৃণমূলের ১২ জন সদস্য এক মাস আগে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের দৌলতনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে অনাস্থা আনেন। এদিন হাইকোর্টের নির্দেশে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা নিয়ে আসার প্রস্তুতি হিসেবে ১২ জন বিক্ষুব্ধ সদস্যের সিগনেচার ভেরিফিকেশনের কথা ছিল। তাই তাঁরা বিডিও অফিসে আসেন। অভিযোগ, হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জোবেদা বিবির স্বামী তথা এলাকার যুব তৃণমূল নেতা আশরাফুল হকের নেতৃত্বে প্রায় ৫০-৬০ জনের একটি সশস্ত্র দল ব্লক চত্বরে এসে বিক্ষুব্ধ ওই ১২ জন পঞ্চায়েত সদস্যকে অপহরণ করে। এরমধ্যে বিক্ষুব্ধ সদস্য ও আশরাফুল বাহিনীর মধ্যে ব্লক চত্বরেই হাতাহাতি বেধে যায়। ভাঙচুর চালানো হয় বিডিও অফিস চত্বরে। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাসের নেতৃত্বে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লক অফিসে। পুরো বিষয়টি নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনার পরপরই বিক্ষুব্ধ সদস্যদের সমর্থকরা লোহার ব্রিজে অবরোধ করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে চলে এল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

- Advertisement -