মায়ের অভিযোগে ১০ দিন পর কবর খুঁড়ে তোলা হল মেয়ের দেহ

370

হরিশ্চন্দ্রপুর: মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে কবর থেকে তোলা হল মেয়ের মৃতদেহ। ১০ দিন আগে বাড়িতেই মারা গিয়েছিল মেয়েটি। শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেওর মিলে মেয়েকে খুন করেছে বলে অভিযোগ মায়ের। ঘটনার ১০ দিন পর থানায় অভিযোগ জানান মা তাজকেরা খাতুন। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের মিলনগড় কোচপুকুর এলাকার এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ঘটনায় শ্বশুর মাহতাব আলি, শাশুড়ি উজলেফা ও দেওর তরিকুল ইসলামের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তাজকেরা খাতুন। জমি সংক্রান্ত বিবাদের কারণে এই খুন বলে মনে করছেন মৃত মেয়েটির মা। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেট ও হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসির উপস্থিতিতে মেয়ে ডলি খাতুনের দেহ কবর থেকে তোলা হয়। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

- Advertisement -

মা তাজকেরা খাতুনের অভিযোগ, গত ১০ সেপ্টেম্বর স্বামী সাহাবুদ্দিন শেখের সঙ্গে তিনি মাঠে গিয়েছিলেন। বাড়িতে একাই ছিল বড় মেয়ে ডলি। ঘণ্টাখানেক বাদে তাঁদের ফোন করে জানানো হয় যে, ডলি মারা গিয়েছে। বাড়িতে ফিরে তিনি দেখেন, ডলি খাটে মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সে ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে বলে জানানো হয়। এরপরেই পরিবারের লোকজন তড়িঘড়ি মেয়েকে কবরস্থ করেন। এরপরই মেয়ের মৃত্যু নিয়ে সরব হন তাজকেরা। কিন্তু পরিবারের হুমকিতে মুখ বুজে ছিলেন তিনি। সম্প্রতি দেওর তাঁকে হুমকি দেন যে, বড় মেয়ের মতো ছোট মেয়েকেও খুন করা হবে। এতেই বিষয়টি তাজকেরার কাছে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, ডলিকে তাঁরাই খুন করেছেন। এরপরই বাধ্য হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাজকেরা।