অনাড়ম্বরেই শুরু হুজুর সাহেবের একরামিয়া ইসালে সওয়াব

175

হলদিবাড়ি: অনুপস্থিত বিশেষ অতিথি। করোনার আবহে এক প্রকার সাদামাঠাভাবে উদ্বোধন হল ৭৭তম হলদিবাড়ির হুজুর সাহেবের একরামিয়া ইসালে সওয়াব। পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা করেন কমিটির সভাপতি তথা বংশধর গদ্দীনশিন হুজুর খন্দকার আফজালুল হক। এদিন উৎসবের উদ্বোধন হলেও মূল উৎসব অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার। করোনার জেরে এবছর একরামিয়া ইসালে সওয়াব বার্ষিক ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বসা হুজুরের মেলার অনুমতি মেলেনি। অন্যান্য বারের তুলনায় খুব কম সংখ্যক দোকান নিয়ে মেলার আয়োজন করা হয়। এতে আশাহত ব্যবসায়ীরা। এদিনও দোকানের পসরা এনে ফিরে যান দূরদূরান্ত থেকে আগত ব্যবসায়ীরা। দোকানহীন ফাঁকা মেলা প্রাঙ্গণ দেখে ব্যথিত হলদিবাড়ির মানুষ।

এদিন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে হলদিবাড়িতে যান রাজ্য পুলিশের জলপাইগুড়ি রেঞ্জের ডিআইজি আনাপ্পা ই। সঙ্গে ছিলেন কোচবিহারের পুলিশ সুপার কে কান্নান,
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিদ্ধার্থ দরজি, হলদিবাড়ি থানার আইসি দেবাশীষ বসু। পুলিশ সূত্রে খবর, সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তাই এবছর মেলাকে কেন্দ্র করে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। মাজার ও মেলা প্রাঙ্গণ মিলিয়ে মোট ৩০টি সিসি ক্যামেরা দিয়ে নজরদারি চালানো হবে। এছাড়াও নিরাপত্তার স্বার্থে সাদা পোশাকের পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে মেলা প্রাঙ্গনে গড়ে তোলা হয়েছে পুলিশ ও বিএসএফের পৃথক ক্যাম্প। এদিনই বাইরে থেকে আগত পুলিশ কর্মীদের মধ্যে দ্বায়িত্ব বন্টন করা হয়। মেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি করতে হলদিবাড়িতেই থাকবেন কোচবিহারের পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। এছাড়াও এবছরই প্রথম দুটি করে ডগ ও বোম স্কোয়াড মোতায়েন করা হয়েছে মেলা প্রাঙ্গনে। পাশাপাশি সংক্রমণ মোকাবিলায় মেলা প্রাঙ্গণে যাওয়া প্রত্যেকের মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর।

- Advertisement -

একরামিয়া ইসালে সওয়াব কমিটির সম্পাদক লুৎফর রহমান বলেন, ‘এদিন পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়েছে। দুই দিনের অনুষ্ঠান চলাকালীন নিমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন।’