আশাকর্মীদের ভুলে হয়রানির শিকার শতাধিক মানুষ, বিক্ষোভ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে

225

বক্সিরহাট: করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ পেতে হয়রানির শিকার অনেকেই। অভিযোগ, প্রথম ডোজ নেওয়ার পর ৮৪ দিন পেড়িয়ে গেলেও একাধিকবার টিকা কেন্দ্রে গিয়েও ফিরতে হয়েছে খালি হাতেই। সোমবারও সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়। এরপরেই, বক্সিরহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বিক্ষোভ দেখালেন টিকার লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা শতাধিক মানুষ। তাঁরা জানিয়েছেন, স্থানীয় আশাকর্মীদের কথানুসারেই এদিন সকাল থেকে টিকার লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। যদিও, বক্সিরহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রাইমারি হেল্থ নার্স (পিএইচএন) প্রীতিকণা তালুকদার বলেন, ‘বোঝার ভুলে আশা কর্মীরা ভুল বার্তা দিয়েছেন, এতেই বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে।’

তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের মানসাই, ভাড়েয়া, দেবগ্রাম, বারকোদালি, পলিকা, বাকলা এলাকার শতাধিক মানুষ এদিন বক্সিরহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে টিকার লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। টিকার দ্বিতীয় ডোজ পাওয়ার আশায় কৃষিকাজ ফেলে কেউ ভোরে, আবার কেউ সাতসকালে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রথম ডোজ নেওয়ার পর ৯০ থেকে ৯৫ দিন পেড়িয়ে গেলেও এখনও দ্বিতীয় ডোজ মিলছে না। একাধিকবার টিকা কেন্দ্রে গিয়েও ফিরতে হয়েছে দ্বিতীয় ডোজ না পেয়েই। বারংবার হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। একইসঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, প্রায়দিনই টিকার লাইনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট হওয়ায় বিশেষ ক্ষতি হচ্ছে কৃষি কাজে।

- Advertisement -

তুফানগঞ্জ-২ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা. আশিস কুমার মণ্ডল জানান, স্বয়ংক্রিয় মেসেজ মারফৎ ৮৪ দিন বাদে টিকার দ্বিতীয় ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়ার বার্তা পেয়েছেন অনেকেই। তা দেখেই টিকার লাইনে ভিড় করছেন সকলেই। কিন্তু, প্রতিদিন দু’শোর বেশি ভ্যাকসিনের সরবরাহ না থাকায় দিনপ্রতি ২০০টি কুপন বিলি করে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। তবে, যাঁদের ১১৫ থেকে ১২০ দিন পেড়িয়ে গিয়েছে তাঁদের অগ্রাধিকার দিয়ে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।