হায়দরাবাদ, ১ ডিসেম্বরঃ হায়দরাবাদে তরুণী পশু চিকিত্সকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তিন পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হল। তরুণীকে যখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না, তখন তাঁর পরিবার থানায় এফআইআর দায়ের করতে যায়। কিন্তু শামশাবাদ থানার তরফে এফআইআর করতে গড়িমসি করেছিল বলে অভিযোগ। নির্যাতিতার পরিবার জানিয়েছে, বুধবার রাতে ওই চিকিৎসক নিখোঁজ হওয়ার পরই তাঁরা থানায় যান অভিযোগ জানাতে। কিন্তু, পুলিশ তাঁদের অভিযোগ না নিয়ে, এক থানা থেকে অন্য থানা দৌড় করিয়েছিল। ওই এলাকাটি কোন থানার অধীনে পড়বে, তা ঠিক করতেই প্রচুর সময় চলে গিয়েছে পুলিশের। পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের গাফিলতি না থাকলে হয়তো বাঁচানো যেত তরুণীকে। সাইবারাবাদ পুলিশ কমিশনার  বিসি সজ্জনার জানান, মৃতার বাড়ির লোকেরা যে অভিযোগ তুলেছিলেন তা বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হয়েছে। তরুণীর নিরুদ্দেশ হওয়ার এফআইআর নিতে সত্যিই দেরি করেছিল পুলিশ। সেই কারণেই তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত সাসপেনশনেই থাকতে হবে এসআই এম রবি কুমার এবং হেড কনস্টেবল পি ভেনুগোপাল রেড্ডি ও এ সত্যনারায়ণ গৌড়কে। এই ধরণের কোনো ঘটনা ঘটলে, কোন থানা এলাকায় ঘটনা ঘটেছে, তা গুরুত্ব না দিয়ে আগে তদন্ত শুরু করার জন্যও সব থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান কমিশনার।