সতীর্থদের বলে ছক্কা মেরে শুরু ঈশানের

কলম্বো : ওডিআই কেরিয়ারের প্রথম বল।

আর সেটাই কিনা সোজা মাঠের বাইরে ফেললেন! গতকাল কাণ্ড ঘটিয়েছেন পূর্ব পরিকল্পনামাফিক। প্রথম বলেই ছক্কা মারবেন। আগেই সতীর্থদের বলেছিলেন ঈশান কিষান! কথা আর কাজের মধ্যে কোনও তফাৎ হয়নি। গত দুই দশকে এমন কাণ্ড এর আগে করে দেখিয়েছেন মাত্র চারজন।

- Advertisement -

ম্যাচ শেষে নিজেই একথা জানিয়েছেন ঈশান। সতীর্থ যুযবেন্দ্র চাহালের সঙ্গে কথপোকথনে বলেন, সবাই জানত। সতীর্থদের বলে গিয়েছিলাম, প্রথম বল যেই করুক, যেভাবেই আসুক, ছক্কা মারবই। ভাগ্যও আমার সঙ্গে ছিল। জন্মদিন, ওডিআই অভিষেক। পিচও বেশ ভালো। ৫০ ওভার কিপিংয়ের ফলে বুঝে গিয়েছিলাম স্পিনারকে অ্যাটাক করা সম্ভব।

চাহাল টিভি-তে ঝাড়খণ্ডের উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান আরও বলেন, স্বপ্নপূরণ। এরচেয়ে ভালো অনুভূতি আর কী হতে পারে? একজন খেলোয়াড়ের কাছে জাতীয় দলের টুপি নেওয়ার মুহূর্তের মতো গর্বের বোধহয় আর কিছু নেই। অসাধারণ কিছু সতীর্থ, বন্ধুদের মাঝে মুহূর্তটা উপভোগ করেছি।

তিনে নামবে, আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়। সেইমতো তৈরি ছিলেন ঈশান। বলছিলেন, দ্রাবিড় স্যার প্র‌্যাকটিস সেশনেই বলে দেন তিন নম্বরে ব্যাটিং করব। নতুন বলে তাই বাড়তি জোর দিয়েছি প্র‌্যাকটিসে। শিখরভাইকে বলেছিলাম, সবকিছু ভুলে আমাকে শুধু স্ট্রাইক দাও। যখন ঠিকঠাক লাগছে, তখন চালিয়ে যাব।

শুরুতেই বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে প্রতিপক্ষকে বেলাইন করে দেওয়ার কারিগর পৃথ্বী শ-র (২৪ বলে ৪৩) মুখে অধিনায়ক শিখর ধাওয়ানের কথা। আইপিএলে ওপেন করার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, শিখর ও আমি দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে ওপেন করি। বন্ধুত্বের পাশাপাশি আমাদের বোঝাপড়াও বেশ ভালো। মাঠের বাইরেও অনেকটা সময় কাটাই। হোটেলের রুমে বসে আড্ডা দিই, ডিনারে যাই। মাঠে যার সুবিধা হয়।