মাস্ক না পরলে বাড়ি পাঠিয়ে দিন,পুলিশকে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

381

কলকাতা: করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে প্রথম থেকেই এক শ্রেনীর সাধারাণ মানুষের মধ্যে উদাসীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকারি তরফে সচেতনতার প্রচার, অনুরোধ,নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও তা মানা হচ্ছে না। যা নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকে পুলিশকে মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বক্তব্য, করোনা সংক্রমণ রুখতে মাস্ক অবশ্যই পরতে হবে। কেউ মাস্ক না পরলে, তাঁকে বাড়ি পাঠিয়ে দিন। আমি জরিমানা করতে পারি, কিন্তু সেটা ভাল হবে না। পুলিশকেও কড়া ব্যবস্থা নিতে বলুন, মাস্ক না পরলেই ব্যবস্থা।

বৈঠকে সাধারণ মানুষের উদাসীনতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি লকডাউন প্রসঙ্গে মিডিয়াকে একহাত নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “লকডাউন নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে, মিডিয়া অযথা আতঙ্ক ছড়াচ্ছে”। “অযথা মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।”

- Advertisement -

তাঁর অভিযোগ, “গতকাল কনটেনমেন্ট জোনে লকডাউন ঘোষণার পর সংবাদমাধ্যম এমনভাবে প্রচার চালাচ্ছে যেন, ফের রাজ্য স্তব্ধ করে দেওয়া হবে। এতে অকারণ মানুষের মধ্যে ভয় তৈরি হচ্ছে। কিন্তু আদতে সেরকম কিছুই হচ্ছে না।”

তিনি দাবি করেন, “আগেও সংক্রমিতের সংখ্যার নিরিখে এ,বি, ও সি তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছিল। এবার ‘এ’ ও ‘বি’ জোন গুলিতে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। প্রয়োজনে ব্যারিকেড করে দেওয়া হবে। এর বেশি কিছু নয়। নিরাপদ জোনের মানুষেরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন। আর এই কড়াকড়ি জারি থাকবে ৭ দিন।”

উল্লেখ্য, আনলক২ এর মধ্যে হু হু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। কোনও ভাবেই সংক্রমণের গতি রোধ করা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে, ফের কড়া লকডাউনের জন্য জেলা সাসকরা নবান্নে আবেদন জানান। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টা থেকে ৭ দিনের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। কোথায় কোথায় এই বিশেষ নজরদারি চলবে তা সরকারি ভাবে নোটিফিকেশন জারি করে জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও মুখ্যমন্ত্রী জানান।