‘নজরবন্দি করলে আদালতে যাবে’, অনুব্রতকে নির্দেশ মমতা

85

রামপুরহাট: ‘এবার নজরবন্দি করলে আদালতে যাবে’। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে এমনই নির্দেশ দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বোলপুরের গীতাঞ্জলী প্রেক্ষাগৃহে এমনই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি এদিন বোলপুরের সভা সেরে তারাপীঠে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে হুইল চেয়ারে বসেই মন্দির চত্বরে ঢোকেন এবং পুজো দেন তিনি।

হাইকোর্টের এবং কমিশনের নির্দেশিকায় শাসক বিরোধী সব দল বড় জনসভা, মিছিল বন্ধ করে দিয়েছে। শাসকদল সাতটি সভা বাতিল করেছে। সভা বাতিল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা। ফলে এদিন বোলপুরের গীতাঞ্জলী প্রেক্ষাগৃহে একটি ছোট্ট সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব সহ বীরভূম জেলার ১১টি বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থীরা। সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ভারতের নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করেন।

- Advertisement -

তিনি বলেন, ‘বীরভূম খুব শান্ত জায়গা। কিন্তু বীরভূম ও কেষ্টর ওপর কমিশনের রাগ রয়েছে। প্রতিবারই নির্বাচনের সময় কেষ্টকে নজরবন্দি করে রাখা হচ্ছে। নজরবন্দি অবৈধ, অপরাধ। এবার করলে কেষ্ট আদালতে যাবে এবং নিরাপত্তা নেবে। আর তোমরা নিজেরা কি করে বেড়াচ্ছ? একজন জুনিয়ার অফিসার সিনিয়র অফিসারদের শোকজ করছে। কৈফিয়ত চাইছে।‘ ভোটার ও কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘ভোটটা কিন্তু দেবেন। ভোট না দিলে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিলে আগামীদিনে এনআরসিতে অনেক সমস্যার সম্মুখিন হতে হবে। তবে আমি এনআরসি করতে দেব না। ভোট শুরুর আগে মেশিন দুবার অফ অন করে নেবেন। তা না হলে অমিত শা বিজেপির ভোট ভরে রাখবে। মেশিন খারাপ হলে নতুন মেশিন আসা পর্যন্ত ভোটারদের অপেক্ষা করতে বলবেন।‘

এরপর শীতলকুচির প্রসঙ্গ তুলে মমতা বলেন, ‘বিজেপিতে আমদের কিছু লোকজন রয়েছে। তারা আমাকে বিজেপির গোপন তথ্য সরবরাহ করে। কমিশনের সোশ্যাল মিডিয়ার চ্যাট আমার কাছে চলে এসেছে। আমার কাছে সব তথ্য রয়েছে। কোন পুলিশ অফিসার সাধারণ মানুষের উপর হঠাৎ করে পিছন থেকে গুলি করেছে, কার নির্দেশে করেছে। সব আমি দেখব। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আছে আমার কাছে। আমিও সিআইডি দিয়ে তদন্ত করবো ভোট শেষ হলে।‘