জয়ী হলে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়নই লক্ষ্য মোজাম্বেল হকের

73

রায়গঞ্জ: সমাজ সেবা করা বরাবরই নেশা। তবে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কোনওদিনই নিজে জনপ্রতিনিধি হিসাবে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হননি। এবার প্রথম ইটাহার বিধানসভা কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ডাঃ মোজাম্বেল হক। তাঁর প্রতীক খেলার ব্যাট। তাঁর মূল উদ্দেশ্য বিশ্ববিদ্যালয়কে এ+ গ্রেডে নিয়ে যাওয়া। তিনি বিধায়ক হলেই এটা সম্ভব বলে তাঁর বিশ্বাস।

ডাঃ মোজাম্বেল হক বলেন, ‘আমি বিধায়ক হলে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়নের উপর জোর দেব এবং পাশাপাশি একটি কলেজ তৈরি করব। ছাত্র-ছাত্রী অনুযায়ী শিক্ষক না থাকায় আমরা ন্যাকের গ্রেডে পিছিয়ে গিয়েছি। এখানে একটি অনার্স লেভেলে কলেজ হলে বিশ্ববিদ্যালয় ভালোভাবে রান করতে পারবে। এখানকার সাধারণ মানুষ শিক্ষার দিকে আরও অগ্রসর হতে পারবে বলে তাঁর বিশ্বাস।’

- Advertisement -

মোজাম্বেল সাহেব দীর্ঘদিন বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক থাকায় গত ২০১১ ও ২০১৬ সালে এবং পঞ্চায়েতের ভোটে তৃণমূল প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে তাকে দেখা গিয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে দল তাকে সেভাবে আর গুরুত্ব দেয়নি। তাই এবারে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মোজাম্বেল সাহেব। জয়ের ব্যাপারে তিনি ১০০ শতাংশ আশাবাদী। পাশাপাশি, বিজেপির সোনার বাংলা গড়ার যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে সেটাকেও পুরোপুরিভাবে আমি মেনে নিতে পারছি না।

মোজাম্বেল সাহেবের দাবি, রাজ্যের ২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যথেষ্ট ভালো। আমাদের ডিপার্টমেন্টে গত ৩ বছরে ১২ জন নেট ও সেট পাশ করেছে। তারমধ্যে ৮ জনের প্লেসমেন্ট হয়েছে। অন্যান্য ডিপার্টমেন্টগুলিও এগিয়ে চলেছে। ন্যাকের মূল্যায়নে বিশ্ববিদ্যালয় ডি গ্রেড পাওয়ার কারণ হল এখানে পাস কোর্স পড়ানো হয়। ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা অনুযায়ী শিক্ষক না থাকায় আমরা ন্যাকের মূল্যায়নে পিছিয়ে পড়েছি।

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার দুর্লভ সরকার জানান, ভারতীয় সংবিধান ও নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে যে কেউ ভোটে দাঁড়াতে পারেন। মোজাম্বেল বাবুও দাঁড়িয়েছেন। তাকে আমরা শুভেচ্ছা জানাই। সেসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে তিনি যে বার্তা দিয়েছেন সেজন্য আমরা খুশি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সমস্ত জনপ্রতিনিধিরা এগিয়ে এসেছেন এবং আগামীদিনেও এগিয়ে আসবেন।