ছট পুজোতে বাজারে জিনিসপত্রের দাম ঊর্ধ্বমুখী, সমস্যায় পূর্ণ্যার্থীরা

270

রায়গঞ্জ: রাত কাটলেই সবাই মেতে উঠবে ছট পুজোয়। সারা দেশের সঙ্গে উত্তর দিনাজপুর জেলার পুণ্যার্থীরাও সামিল হবেন ছট পুজোতে৷  ছট পুজো আগে হিন্দিভাষী বা পশ্চিমী সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তা সর্বজনীন রুপ নিয়েছে। বাঙ্গালী সহ প্রায় সব সম্প্রদায়ের মানুষ কম বেশি ছট পুজোয় সামিল হয়। তবে এবারে করোনার কারণে পুজোর আনন্দে অনেকটাই ভাটা পড়েছে। কিন্তু জিনিস পত্রের দাম ঊর্ধ্বমুখী।

ফলে পূর্ণ্যার্থীরা সমস্যায় পড়েছেন। তা সত্ত্বেও সূর্য দেবতা বা ছট মায়ের আরাধোনার খামতি রাখতে চান না পুজোর উদ্যোক্তারা।  পুজোর কেনাকাটা করতে আজ রায়গঞ্জের বাজার গুলিতে বাজারমুখী হতে দেখা যায় ছট পুজোর আয়োজকদের৷ তবে বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার পুজোর জিনিসের দাম ঊর্ধ্বমুখী৷ পুজোর প্রধান উপকরণ নারকেল, কলা বাতাবি লেবু থেকে শুরু করে অন্যান্য ফলের দাম বেশ চড়া। কৈলাস বাসফোর নামে এক পূর্ণ্যার্থী জানান,  মূল্য বৃদ্ধির দাপট থাকলেও পরিবারের কল্যাণে ছট পুজো করতেই হবে। গতবার যে পরিমাণ কিনেছিলাম এবারে তার চেয়ে অনেকটাই কম পরিমাণ কিনলাম।

- Advertisement -

রমেশ ঠাকুর নামে আরও একজন জানান, নারকেল ও কলার দাম খুব চড়া। এমনিতে আয় নেই, তারমধ্যে জিনিসের দাম এত বেশি কি করব বুঝতে পারছি না। এদিকে আজ বাজারগুলিতে দেখা গেল বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে পসার সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। তবে ক্রেতা সাধারণ অন্যবারের তুলনায় কম এবার। প্রসেঞ্জিত দাস নামে এক বিক্রেতা জানান, এবারে প্রতিটি জিনিসই অগ্নিমূল্য। আমাদের কি করার আছে। লক্ষ্মী, কালী ও কার্তিক পুজোর পরে ছট পুজোতে অব্যাহত রইল মূল্যবৃদ্ধির দাপট।