এক বছরে এশিয়ান হাইওয়ে বেহাল, আলো জ্বলে না

148

নকশালবাড়ি : নির্মাণকাজ শেষের এক বছর পেরোতেই এশিয়ান হাইওয়ে-২ বেহাল হয়ে পড়েছে। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে নকশালবাড়ি ব্লকের অটল, হাতিঘিসা, কিরণচন্দ্র, মেরিভিউ চা বাগানের বেশ কিছু জায়গায় এশিয়ান হাইওয়ে খানাখন্দে ভরে গিয়েছে। এর ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি, বাগডোগরা থেকে পানিট্যাঙ্কি পর্যন্ত এশিয়ান হাইওয়ে-২র যে পথবাতির ব্যবস্থা করা হয়েছিল, তা বহুদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কয়েক কোটি টাকা খরচ করে এই পথবাতিগুলি লাগানো হলেও তাতে আলো জ্বলে না। অন্ধকার রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।

বাগডোগরা থেকে পানিট্যাঙ্কি পর্যন্ত এশিয়ান হাইওয়ে-২র দুধারে রয়েছে ১৫টি চা বাগান, বাগডোগরার দলকা বনাঞ্চল, উত্তমচন্দ্র ছাট সহ টুকরিয়াঝাড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চল। রাস্তাটি হাতির করিডর হিসেবেও পরিচিত। সম্প্রতি নকশালবাড়ি রথখোলাতে রাতের অন্ধকারে বেশ কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে। পানিট্যাঙ্কি, নকশালবাড়িতে হাইওয়ের অন্ধকার গলিতে নেশার আসরও চলে রমরমিয়ে। বাগডোগরা থেকে পানিট্যাঙ্কি পর্যন্ত এশিয়ান হাইওয়ের বেশ কিছু অংশ খানাখন্দে ভরে গিয়েছে। পিচের আস্তরণ উঠে গিয়ে ভিতরের অংশ বেরিয়ে পড়েছে। হাতিঘিসা গ্রাম পঞ্চায়েতের অটলে মানঝা এবং চেঙা সেতুর উপরেও নবনির্মিত রাস্তার বেশ কিছু অংশ গর্তে ভরে গিয়েছে। এশিয়ান হাইওয়ে-২এর প্রোজেক্টে নেপালের পানিট্যাঙ্কি থেকে বাংলাদেশের ফুলবাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৪৮ কিলোমিটার রাস্তার জন্য এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের অর্থানুকূল্যে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক থেকে ৭২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। গতবছর বাগডোগরা- পানিট্যাঙ্কি চার লেনের রাস্তাটি খুলে দেওয়া হয়।

- Advertisement -

এশিয়ান হাইওয়ে-২এর প্রোজেক্ট ম্যানেজার দীপক সিনহা বলেন, পথবাতিগুলির ৭০ লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ বিল বাকি রয়েছে। ওই টাকা সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের দেওয়ার কথা। কিন্তু টাকা আসেনি। তাই পথবাতিগুলি জ্বলছে না।  গতবছরই আমরা পানিট্যাঙ্কির এশিয়ান হাইওয়ে-২ রাস্তাটি সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রককে হস্তান্তর করেছি। তবে যেখানে রাস্তাটি ভেঙেছে খুব দ্রুত আমরা সেই জায়গাগুলি মেরামত করব।