জল সংকটে জর্জরিত গ্রাম, ভোট বয়কটের হুশিয়ারি মহিলাদের

71

বর্ধমান: জল সংকট মেটাতে বাড়ি বাড়ি সজল ধারা প্রকল্পের সংযোগ সম্পন্ন হয়েছে বহু আগেই। এছাড়াও গ্রাম পঞ্চায়েতের একাধিক নলকূপ বসানো হয়েছে গ্রামে। যদিও পানীয় জল সংকট যেন অধরা। বছরের ৩৬৫ দিনই পানীয় পানীয় জলের খোঁজে প্রায় আধ কিলোমিটার পথ ছুটতে হয় পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের সাহেবগঞ্জ হলদি গোরে আদিবাসী পাড়ার মহিলাদের। এখানেই শেষ নয়, পানীয় জল সংকটের জেরে পারিবারিক অশান্তি যেন নিত্য সঙ্গী ওই গ্রামে। অন্যদিকে, জল সংকটের জেরে স্ত্রী স্বামীর ঘর ছেড়়ে বাপের বাড়ি ফিরে গিয়েছে, এমন ঘটনারও নজির রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এই জল সংকটের কথা কারও অজানা নয়। তবুও সমস্য়া অধরা। সেক্ষেত্রে এবার বিধানসভা নির্বাচনে তারা বুথমুখি হবেন না সমস্য়ার সমাধান না হওয়া অবধি।

সাহেবগঞ্জ হলদি গোরে আদিবাসী পাড়ায় রয়েছে ৭০ ঘর আদিবাসী পরিবার। মহিলা ভোটারের সংখ্যা প্রায় ২০০। স্বাভাবিকভাবেই ২০০ ভোটার ভোটদান থেকে বিরত থাকার হুশিয়ারি দিতেই বিরম্বনায় সব রাজনৈতিক দলই। কেননা স্থানীয়দের অভিযোগ, নেতা-নেত্রী থেকে শুরু করে জন প্রতিনিধিদের কেছে তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরেছিলেন বিভিন্ন সময়। সমস্য়া সমাধানে পেয়েছিলেন পাহাড় প্রমাণ আশ্বাসও। তবে, বাস্তবে তার কোনও প্রতিফলন দেখা যায়নি বলেই অভিযোগ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পানীয় জলের সমস্য়া মেটাতে আধ কিলোমিটার দূরে ডিভিসি ক্যানেলের আন্ডারপাসের নিচ দিয়ে যাওয়া সজলধারার পাইপ লাইন একমাত্র ভরসা তাদের।

- Advertisement -

এবিষয়ে লক্ষী মাড্ডি নামে এক গ্রামবাসী জানান, পঞ্চায়েতের তরফে যে টিউবওয়েল বসানো হয়েছে তাতে জল ওঠে না। অন্যদিকে, সজলধারার পাইপলাইন বাড়ি বাড়ি পৌঁছোলেও জল মেলে না। স্বাভাবিকভাবেই পানীয় জলের সমস্যা যেথেষ্ট। শুধু পানীয় জল নয়, স্নান থেকে শুরু করে নানাবিধ কাজের জন্য় জল মেলা ভার তাদের গ্রামে। প্রতি ক্ষেত্রেই ছুটতে হয় প্রায় আধ কিলোমিটার পথ। দাঁড়াতে হয় লম্বা লাইনে।