Manchester: India's Rohit Sharma, right, celebrates his century with India's captain Virat Kohli during the Cricket World Cup match between India and Pakistan at Old Trafford in Manchester, England, Sunday, June 16, 2019. AP/PTI(AP6_16_2019_000102B)

ছবিঃ পিটিআই

ম্যাঞ্চেস্টার, ১৭ জুনঃ সাম্প্রতিক অতীতে পাকিস্তানের মাটিতে দু’বার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়েছে ভারত। কয়েক হাজার মাইল দূরে বিলেতের মাটিতে ফের পাকিস্তানের ওপর জোড়া সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালালেন বিরাট কোহলিরা। রক্তপাতহীন এই স্ট্রাইকে চুরমার হয়ে গেল সরফরাজ আহমেদের পাকিস্তান। নিটফল, বিশ্বকাপের মঞ্চে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭-০ স্কোরলাইন আর সেমিফাইনালের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে যাওয়া। অন্যদিকে, পাঁচ ম্যাচে মাত্র এক জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবলের নিচের দিক থেকে দু’নম্বরে পাকিস্তান।

টস জিতে ভারতকে ব্যাটিং করতে পাঠিয়েছিলেন পাক অধিনায়ক সরফরাজ। কিন্তু আকাশ মেঘলা থাকলেও পিচে কোনো জুজু ছিল না। তাই প্রথমদিকের কয়েকটা বল অদ্ভুত আচরণ করলেও ক্রমশ সহজ হয়ে যায় ব্যাটিং। রোহিত শর্মা প্রথম থেকেই চালাচ্ছিলেন, শিখরের বদলি হিসাবে নামা কে এল রাহুলও একদিক ধরে রেখে সঙ্গত করে যাচ্ছিলেন। বিশ্বকাপে প্রথম ওপেন করতে নেমে লেটারমার্কস নিয়ে পাশ রাহুল (৫৭)। অন্যদিকে, রোহিত ফের একবার রো-হিট। তিনি থামলেন ১৪০ রানে। ৬৫ বলে ৭৭ করলেন বিরাট। যদিও আউট না হওয়া সত্ত্বেও মাঠ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন কোহলি। নাহলে ভারতের ৩৫০ রান পেরিয়ে যাওয়া ছিল সময়ের অপেক্ষা। শেষ পর্যন্ত ৩৩৬-৫ রানে শেষ হয় ভারতের ইনিংস।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে চার ওভারেই প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। ভুবনেশ্বর কুমারের হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট লাগায় তাঁর ওভার শেষ করতে এসেছিলেন বিজয় শংকর। বিশ্বকাপের প্রথম বলেই ইমাম উল হককে ফিরিয়ে দেন বিজয়। তারপর পাক ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন ফখর জামান (৬২) ও বাবর আজম (৪৮)। ১০৪ রানের পার্টনারশিপ করেন তাঁরা। ক্রমশ যখন ম্যাচে জাঁকিয়ে বসছে এই জুটি, তখনই চায়নাম্যান ম্যাজিক। কুলদীপ যাদবের ফ্লাইটেড ডেলিভারি ড্রপ পড়ার পর বাঁক খেয়ে বাবরের ব্যাট প্যাডের মাঝ দিয়ে উইকেটে লাগে। পরের ওভারেই ফখরকে তুলে নেন কুলদীপ। তারপরই ধস নামে পাক ব্যাটিংয়ে। একে একে ফিরে যান মহম্মদ হাফিজ, শোয়েব মালিক ও সরফরাজ। পরপর দু’বলে হাফিজ ও শোয়েবকে তুলে নেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। ৩৫ ওভারের মাথায় ফের বৃষ্টি শুরু হলে পাকিস্তানের নতুন টার্গেট দাঁড়ায় ৪০ ওভারে ৩০২। শেষ পর্যন্ত ২১২ রানেই আটকে যায় পাকিস্তান।