চিনা সেনা পিছু না হঠলে ভারতীয় সেনা এক পাও নড়বে না, বৈঠকে সাফ বার্তা ভারতের

808

নয়াদিল্লি: লাদাখ সীমান্তে ভারত-চিনের মধ্যে এখনও উত্তেজনা কমেনি। অথচ গত জুন মাস থেকে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে লাগাতার বৈঠক করা হয়েছে। তবুও পরিস্থিতির বদল ঘটেনি। এমত অবস্থায় পরিস্থিতির বদল ঘটাতে সোমবার ফের বৈঠকে বসে দু’দেশের প্রতিনিধিরা। সূত্রের খবর, দু’দেশের কম্যান্ডারদের উপস্থিতিতে সীমান্তে চিনের দিকে মল্ডোতে হবে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ১৪ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক চলে। সীমান্ত সমস্যা মেটানো লক্ষ্য হলেও কোনও রকম আপোষে যেতে রাজী হয়নি নয়াদিল্লি। এদিনের বৈঠকে ভারতের একটাই বার্তা চিনা সেনাকে পিছু হঠতে হবে। কারণ বেশ কিছু বিতর্কিত এলাকায় ঘাঁটি তৈরি করেছে চিনা সেনা বলে সূত্রের খবর।

সূত্রের খবর, ভারতের তরফে চিনা সেনার বিতর্কিত অবস্থানের ওপরেই জোর দেওয়া হয়। বলা হয়, চিনা সেনা যতক্ষণ না নিজের বর্তমান জায়গা থেকে পিছু হঠছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ভারতীয় সেনা এক পাও নড়বে না। সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে ভারতের তরফে উপস্থিত ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরিন্দর সিং। তিনি লেহ-র ১৪ কর্পসের কম্যান্ডার। অন্যদিকে চিনের তরফে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ শিংজিয়াং মিলিটারি রিজিয়নের কম্যান্ডার মেজর জেনারেল লিউ লিনের। সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারত ও চিনের মধ্যে কূটনৈতিক স্তরে সেনা সরানো নিয়ে যে আলোচনায় যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল তা বাস্তবায়নের জন্য বৈঠক বসে। অথাৎ, দু’দেশের তরফে পূর্ব লাদাখ থেকে কীভাবে সেনা সরানো যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কারণ, ভারত লাদাখ সমস্যার নিশ্চিত সমাধান চায়ছে। এ কারণেই ভারতের তরফে চিনা সেনার বিতর্কিত অবস্থানের ওপরেই জোর দেওয়া হয়। বলা হয়, চিনা সেনা যতক্ষণ না নিজের বর্তমান জায়গা থেকে পিছু হঠছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ভারতীয় সেনা এক পাও নড়বে না।

- Advertisement -

উল্লেখ্য, ভারত ও চিন দু’দেশের মধ্যে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকা, প্যাঙ্গং লেক সংলগ্ন এলাকায় গত মে মাস থেকেই বারবার উত্তেজনা ছড়িয়েছে। গত ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায় টহলরত ভারতীয় সেনার উপর চিনা সেনার আচমকায় হামলায় ২০ ভারতীয় জওয়ান শহিদ হন। চিনা সেনা বা পিপলস লিবারেশন আর্মিরও অন্তত ৩৫ জওয়ান নিহত হয় বলেও খবর প্রকাশিত হয়।