বিশ্বকাপের ড্রেস রিহার্সালে বাজিমাত বিরাটদের

সঞ্জীবকুমার দত্ত, কলকাতা : ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের হাডল।

হেডস্যার রবি শাস্ত্রীর ভোকাল টনিক। কী বলেছেন বোঝার উপায় নেই। তবে খেলোয়াড়দের মধ্যে জোশ ভরে দেওয়ার চেষ্টা, বডি ল্যাঙ্গুয়েজে তা বেশ পরিষ্কার।

- Advertisement -

টসে হেরেও বিরাটের শরীরী ভাষাতে সেই ডোন্ট কেয়ার ভাব। সিরিজের ফাইনাল ম্যাচের আগে মনোভাব পরিষ্কার। পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ যাই থাকুকভয়ডরহীন ক্রিকেটই হাতিয়ার ভারতের। রোহিতের সঙ্গে বিরাটের ওপেন (লোকেশকে বসিয়ে বাড়তি বোলার নটরাজন) করার ক্ষেত্রেও সেই অ্যাটিচিউডের ফসল। শুধু অ্যাটিচিউডে নয়, বাইশ গজে সাহসী ক্রিকেটের প্রতিফলন। নিটফল বিশ্বকাপের ড্রেস রিহার্সালে বাজিমাত।

ব্যাটিং বিস্ফোরণের জয়ে মঞ্চ সাজান রোহিত, বিরাট, সূর্য, হার্দিকরা। চার ব্যাটসম্যানের দাপটেই ২২৪/২-এর রণহুংকার। জবাবে একসময় লড়াই চালিয়ে শেষে খেই হারিয়ে বেলাইন থ্রি লায়ন্স। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে জেসন রয়কে (০) ফেরান ভুবনেশ্বর কুমার। এখান থেকে ১২.৪ ওভারে দাযিদ মালান (৬৮), জস বাটলারের (৫২) ১৩০ রানের যুগলবন্দি শাস্ত্রীদের কপালের ভাঁজ বাড়িয়ে দেয় একসময়।

দ্রুততম (২৪তম ইনিংসে) ১০০০ টি২০ রানের নজিরও গড়েন মালান। কিন্তু বাটলারকে (৫২) আউট করে ভুবনেশ্বর (৪-০-১৫-২) জুটি ভাঙতেই ম্যাচের রং বদল। শুরুতে মার খাওয়া শার্দূল (৩/৪৫), হার্দিক (১/৩৪), নটরাজনদের (১/৩৯) প্রত্যাঘাতে ধসে যায় ইংল্যান্ডের মিডলঅর্ডার। বেয়ারস্টো (৭), মরগ্যান (১), স্টোকসদের (১৪) অসহায় আত্মসমর্পণ। শেষপর্যন্ত প্রতিপক্ষকে ১৮৮/৮-তে আটকে রেখে ৩৬ রানে জয় বিরাটদের।

ম্যাচের ভাগ্য এদিন গড়ে দেন ব্যাটসম্যানরাই। পাওয়ার প্লেতে রোহিত-বিরাটের পাওয়ার-হিটিংয়ে মরগ্যানদের স্ট্র‌্যাটেজি এলোমেলো হয়ে যায়। বাকি ইনিংসে যা বজায় রাখেন রোহিত (৩৪ বলে ৬৪), সূর্যকুমার (১৭ বলে ৩২), বিরাট (৫২ বলে অপরাজিত ৮০), হার্দিক (১৭ বলে অপরাজিত ৩৯)-রা। যে চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে ব্যর্থ মরগ্যানরা।