করোনার টিকা নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে কথা ভারতের

411

নয়াদিল্লি: করোনা টিকা কেনা নিয়ে ফাইজার, মর্ডানা সহ অন্য প্রস্তুতকারক সংস্থার সঙ্গে কথা চলছে। এমনটাই জানালেন আধিকারিকরা।

তাঁরা জানিয়েছেন, সব টিকাগুলিই ক্রয়ের জন্য বিবেচনা করা হবে। তবে ফাইজার এবং মর্ডানার প্রাথমিক সাফল্যের পর ভারতের হাতে বিকল্প আরও বেড়েছে। গত সপ্তাহে ফাইজার এবং বায়োএনটেকের তরফে জানানো হয়েছিল, করোনাভাইরাস রুখতে ‘ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট’-এর ৯০ শতাংশেরও বেশি কার্যকারিতার প্রমাণ মিলেছে। কিন্তু কার্যকারিতার নিরিখে দেখতে গেলে সেই সম্ভাব্য টিকাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে মর্ডানার ‘ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট’। কেন্দ্রের করোনা টিকা সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ দলের এক সদস্য জানিয়েছেন, তাঁরা দামের বিষয়ে সচেতন। খরচের বিষয়টি গভীর উদ্বেগের বিষয়। গত মাসে মার্কিন সংস্থা ফাইজার এবং জার্মান ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা বায়োএনটেকের তরফে জানানো হয়েছিল, একটি ডোজের দাম ১৯.৫০ ডলার পড়বে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রোজেনেকার সম্ভাব্য টিকার প্রতিটি ডোজের দাম সম্ভবত দুই ডলারের কম থাকবে। আর প্রতিটি ডোজের জন্য ৩২ ডলার থেকে ৩৭ ডলার নেবে মর্ডানা।

- Advertisement -

যদিও এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ দলের দুই সদস্য জানিয়েছেন, আপাতত ফাইজার, মর্ডানা বা রাশিয়ার স্পুটনিক-৫ ক্রয়ের জন্য কোনও চুক্তি হয়নি। তবে সমস্ত সম্ভাব্য টিকার প্রস্তুতকারকের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ভারতীয় টিকাগুলি আশাব্যঞ্জক হলেও টিকার দৌড়ে এগিয়ে আছে আরও কয়েকটি ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট। সুতরাং যাবতীয় বিষয়ের উপর নজর রাখা হচ্ছে। সবদিক বিচার করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ দলের চেয়ারম্যান এবং নীতি আয়োগের সদস্য ভিকে পল জানান, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে যেসব টিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে, তার উপর নজর রাখা হচ্ছে। দ্রুত যত বেশি সংখ্যক মানুষকে সুরক্ষিত এবং কার্যকরী টিকা দেওয়া যায়, তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে। আগামী বছর প্রথম ত্রৈমাসিকের মধ্যেই ভারতে করোনা টিকা মিলবে বলেও আশা করছেন তিনি।