ভোট নির্বিঘ্নে করতে সিল ভারত-নেপাল সীমান্ত, বাংলা বিহার সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

136

খড়িবাড়ি: নির্বিঘ্নে ভোট দান পক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিল করে দেওয়া হল ভারত-নেপাল সীমান্ত। অপরদিকে ভোটের আগে বাংলা-বিহার সীমান্তের চেকরমারীতে ঢিলেঢালা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উঠল প্রশ্ন। ১৭ এপ্রিল দার্জিলিং জেলায় বিধানসভা নির্বাচন। ভোটদান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ভোটের ৭২ আগে সিল করে দেওয়া হয় ভারত-নেপাল সীমান্ত। আর এর জেরে ভারতের পানিট্যাঙ্কি সীমান্তে বহু ভারতীয় নাগরিক নেপালে আটকে পরে। শুধুমাত্র ভারতীয় ভোটারের নির্দিষ্ট পরিচয় পত্র থাকলে তবেই নেপাল থেকে ভারতে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে বলে সীমান্তে মোতায়েন এসএসবি সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া চিকিৎসা কিংবা বিমানযাত্রী জরুরি প্রয়োজনে ছাড় মিলছে। তবে সমস্ত রকমের পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখা হয়েছে। ভারতে থাকা নেপালের নাগরিকদের নেপালে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। ভারত-নেপাল সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত এসএসবি জওয়ান টহলদারি শুরু করেছে। তবে বাংলা-বিহার সীমান্তে ঢিলেঢালা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিন দুপুরে বাংলা-বিহার সীমান্তের বেঙ্গল বর্ডারে গিয়ে দেখা যায় সেখানে নেই পুলিশি নজরদারির ব্যবস্থা। সীমান্তের প্রায় এক কিমি দূরে চেকরমারী পুলিশ চেক পোস্টে কোন পুলিশের দেখ মেলেনি। তবে এই সীমান্ত থেকে প্রায় দেড় কিমি দূরে বাঞ্ছাভিটা একলাকায় ৩২৭ নম্বর জাতীয় সড়কে পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের লোকেদের নাকা চেকিং করতে দেখা যায়। সীমান্ত থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে নাকা চেকিং করার ফলে দুষ্কৃতিরা এর মাঝের গ্রামীন পথ ধরে টাকা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে ভোটের সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে পারে বলে বিভিন্ন মহলের আশঙ্কা। যদিও পুলিশ আধিকারিকদের দাবি, প্রতি এক ঘন্টা অন্তর নাকা চেকিংয়ের স্থান পরিবর্তন করা হচ্ছে। এই দেড় কিলোমিটারের মধ্যে তিনটি জায়গায় নাকা চেকিং করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।