ভারত বনধের জেরে বাতিল ৩১টি ট্রেন

119
ছবি: সংগৃহীত

নয়াদিল্লি: তিনটি কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আজ ভারত বনধের ডাক দিয়েছে কৃষক ইউনিয়ন। আজ সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বনধ জারি থাকবে। তবে একাধিক জায়গায় বনধের প্রভাব পড়লেও দেশ জুড়ে বনধের তেমন প্রভাব পড়েনি। কৃষকরা পঞ্জাবের ৩২টি জায়গায় রেল অবরোধের চেষ্টা করেন। বনধের জেরে সকালে দিল্লি থেকে চন্ডীগড়, অমৃতসর, কালকাগামী বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়। এদিন একাধিক ন্যাশনাল হাইওয়ে অবরোধ করে প্রতিবাদ করেন কৃষকরা। ভাটিন্ডা, লুধিয়ানা, অমৃতসর, পাতিয়ালা, রোহতাক, ভিয়ান্দি জেলার একাধিক রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা।

- Advertisement -

উত্তর রেলে মুখপাত্র দীপক কুমার জানান, শুক্রবার সকাল ৯টা নাগাদ ৩২টি জায়গায় রেললাইনের উপর বসে বিক্ষোভ শুরু করেন কৃষকরা। যার জেরে বাতিল করা হয়েছে ৩১টি ট্রেন।

ভারত বনধের সমর্থন জানিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী টুইট করে লেখেন, ভারতের ইতিহাস সাক্ষী, সত্যাগ্রহের মধ্য দিয়েই অন্যায় এবং অবিচারের বিনাশ হয়েছে।

একটি ভিডিও বার্তায় সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার নেতা দর্শন পাল জানান, বনধের সমর্থনে এদিন সবজি এবং দুধ সরবরাহ করবেন না প্রতিবাদী কৃষকরা। একই সঙ্গে বনধের সময় কোনও হিংসার ঘটনাকে সমর্থন না করার কথাও জানিয়েছেন তিনি। দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ বনধের ডাক দিয়েছেন কৃষকরা।

উল্লেখ্য, কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লি সীমানায় কৃষক বিক্ষোভ ৪ মাস পার করেছে। গত বছর ডিসেম্বরে ভারত বনধ ডেকেছিল কৃষক ইউনিয়ন। কয়েকদিন আগে কৃষি আইনের প্রতিবাদে রেল রোকো কর্মসূচিও পালন করেন তাঁরা। পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং পশ্চিম উত্তর প্রদেশের হাজার হাজার কৃষক দিল্লির সীমান্তে সিংহু, টিকরি ও গাজীপুরে চার মাস ধরে শিবির করে ছিল। কৃষির আইন বাতিলের দাবিতে এবং তাদের ফসলের জন্য সর্বনিম্ন সহায়তা মূল্যের আইনি স্বীকৃতির দাবি করেছেন তাঁরা। কৃষকনেতা দর্শন পাল বলেন, ‘আমরা ভারতবাসীর কাছে আবেদন করব, যাতে কৃষকদের গৌরবের স্বার্থে এই ভারত বনধকে তাঁরা সফল করে।’ কৃষক নেতারা আরও জানান, আগামী ২৮ মার্চ ‘হলিকা দহন’ চলাকালীন নতুন কৃষি আইনের কপিগুলি পোড়ানো হবে।