বাইচুংদার থেকে শিখেছেন তরুণ সুনীল

দোহা (কাতার) : ২০০৫ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথমবার জাতীয় দলের জার্সি পরেছিলেন। তারপর কেটে গিয়েছে ১৬ বছর। ১১৭ ম্যাচে ৭৪ গোল করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে লিওনেল মেসির মতো তারকাকেও পেছনে ফেলে দিয়েছেন। কেরিয়ারের এই বিশেষ দিনে দাঁড়িয়ে সুনীল ছেত্রীর মুখে প্রাক্তন অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়ার প্রশংসা।

চোখের সামনে ভারতীয় ফুটবল বদলে যেতে দেখেছেন সুনীল। প্রথমে জাতীয় লিগ, তারপর আইলিগ আর এখন আইএসএল- সবকিছুরই অংশ থেকেছেন। জাতীয় দলের অধিনায়ক হয়ে সুনীলের কাছে ফেলে আসা দিনের স্মৃতি উজ্জ্বল। বললেন, এখনও মনে হয় যেন গতকালের কথা। আমরা দলে নতুন। বাইচুংদা, রেনেডি ভাই, ক্লাইম্যাক্স ভাই, অভিষেক ভাইরা তখন সিনিয়র। কতকিছু শিখেছি ওদের থেকে। পাহাড়ি বিছেকে নিয়ে একটু বেশিই উচ্ছ্বসিত সুনীল। তাঁর কথায়, বাইচুংদার থেকে সবচেয়ে বেশি শিখেছি। ও তখন কত বড় ফুটবলার! অথচ সবসময় সাহায্য পেতাম। মাঠের ভেতরের পাশাপাশি বাইরেও আমাদের গাইড করত। আমরা দেখতাম, আক্রমণ শুরু হওয়া থেকে শেষ ট্যাকেল- সবক্ষেত্রেই বাইচুংদা থাকত। আর যখন অধিনায়ক এত পরিশ্রম করেন, তখন সেই ভাবনা বাকিদের মধ্যেও সংক্রামিত হয়ে যায়।

- Advertisement -

১৬ বছরে অনেকটা বদলেছে ভারতীয় ফুটবল। যা নিয়ে সুনীল বললেন, সন্দেশ ও গুরপ্রীত যখন প্রথম এল, দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। ওরা আমাকে সুনীল ভাই বলে। ওরা নিজেরাও এখন সিনিয়র হয়ে গিয়েছে। ওদের ভাই বলে উদান্তা। আবার সুরেশরা উদান্তাকে ভাই বলে। এটা চলতেই থাকে। সময়ে সঙ্গে নিজেও টিম বাসের পেছনের সিট থেকে সামনে এসে বসা শুরু করেছেন। নিজের জয়ের খিদের জন্য মাকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন সুনীল। তাঁর কথায়, আমি ছোট থেকে মার সঙ্গে বিভিন্ন খেলা খেলেছি। এমনও হয়েছে কোনও বন্ধু রাজি না হওয়ায় মা দিল্লির দুপুরে গরমের মধ্যে আমার সঙ্গে ফুটবল খেলেছে। কিন্তু মা কখনও আমাকে সহজে জিততে দেয়নি। এগুলোই আমাকে জেতার মূল্য বুঝিয়েছে।