ফাইনালের পর ২০ দিনের ছুটি কোহলিদের

সাদাম্পটন : ফাইনালের ফল যাই হোক না কেন, ছুটি নিশ্চিত!

আর সেই ছুটির মেয়াদ ২০ দিনের। যার মধ্যে অস্বস্তি ও বিরক্তির জৈব সুরক্ষা বলয় থেকে মুক্তি মিলবে। বন্দি জীবনের দুর্দশা ঘুচবে। পরিবার নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটাররা ইংল্যান্ড সহ ইউরোপের নানা জায়গায় ঘুরতে যেতে পারবেন।

- Advertisement -

১৮ জুন থেকে সাদাম্পটনের এজেস বোল স্টেডিয়ামে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়ানশিপ ফাইনালে পরস্পরের মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত-নিউজিল্যান্ড। বৃষ্টির সম্ভাবনার কারণে ম্যাচের ফল নিশ্চিত করার জন্য রিজার্ভ ডে রাখার কথা আগেই ঘোষণা করেছে আইসিসি। ফলে ২৩ জুন পর্যন্ত ফাইনাল ম্যাচ চলতে পারে। ঠিক তার পরদিন থেকে, অর্থাৎ ২৪ জুন থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ছুটি পাচ্ছেন বিরাট কোহলিরা। ১৫ জুলাই থেকে বিলেতে ফের জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়তে হবে ভারতীয় ক্রিকেটারদের। ৪ অগাস্ট থেকে জো রুটের ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ টেস্টের সিরিজের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাবে টিম ইন্ডিয়ার।

সাদাম্পটনের হিলটন হোটেলে এখনও কোয়ারান্টিন চলছে রোহিত শর্মাদের। এই কোয়ারান্টিনের মধ্যেই একাকী জিমে ঘাম ঝরানোর পাশে মাঠে নেমে জগিং ও বোলিং শুরু করেছেন চেতেশ্বর পূজারা, রবীন্দ্র জাদেজারা। ক্রমশ তালিকাটা দীর্ঘ হচ্ছে। আর তার মধ্যেই চলছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়ানশিপ ফাইনালের স্ট্র‌্যাটেজি চূড়ান্ত করা। কোয়ারান্টিনের কঠিন জীবনের মধ্যে থেকেই কার্যত তিন-চার দিনের প্রস্তুতি নিয়ে কেন উইলিয়ামসনদের বিরুদ্ধে ফাইনাল যুদ্ধে নামতে হবে ভারতকে। মানসিকভাবে ক্রিকেটারদের ফুরফুরে রাখার জন্য তাই ফাইনালের পরই ছুটি ঘোষণা করেছে বিসিসিআই।

ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের এক কর্তা আজ বলেন, ক্রিকেটাররা টানা বায়ো বাবলে থাকতে গিয়ে মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। তাই ওদের কথা ভেবেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনালের পর পুরো দলকে ছুটি দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ইংল্যান্ড সিরিজের আগে পুরো দল মানসিকভাবে তাজা হয়ে উঠবে। ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড ফাইনালের কাউন্টডাউনের মধ্যে আজ আইসিসির তরফে ম্যাচের দুই ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে ইংল্যান্ডের রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ ও মাইকেল গফের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পেয়েছেন প্রাক্তন ইংল্যান্ড ক্রিকেটার ক্রিস ব্রড।