পর্যটকদের আগমনে কাজ পাচ্ছেন আদিবাসী নৃত্যশিল্পীরা

407

চালসা: করোনার জন্য টানা লকডাউনের ফলে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসা। পর্যটন ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি বিভিন্ন রিসোর্টে আসা পর্যটকদের আনন্দ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন আদিবাসী নৃত্য গোষ্ঠী গুলিও কাজ না পেয়ে সমস্যায় পড়েছিল। রীতিমতো কর্মহীন হয়ে পড়েছিল তাঁরা। নিজস্ব সংস্কৃতির নৃত্যেরও চর্চা করতে পারছিল না তাঁরা। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। পর্যটকরা ডুয়ার্সে আসা শুরু করেছে। পর্যটকদের আগমন হওয়ায় ফের আদিবাসী নৃত্য গোষ্ঠী গুলি কাজ ফিরে পাচ্ছে। আদিবাসী নৃত্যের মাধ্যমে পর্যটকদের আনন্দ দেওয়া হচ্ছে।

তবে এবারের আনন্দদানের পদ্ধতিও বদলেছে অনেকটাই। স্যানিটাইজ করে ও মাস্ক পরে তাদের নৃত্য করতে হচ্ছে। এরকমই এক ছবি দেখা গেল বাতাবাড়ির একটি বেসরকারি রিসোর্টে। লকডাউনের বন্ধ ঘর থেকে বেরিয়ে কলকাতার একদল পুজোর ছুটি কাটাতে এসেছিল ওই রিসোর্টে। রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ পর্যটকদের আনন্দ দেওয়ার জন্য ক্যাম্প ফায়ারে আদিবাসী নৃত্যের মাধ্যমে তাদের আনন্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।

- Advertisement -

নৃত্য শিল্পীরা যেমন মাস্ক পরে নৃত্য করছে তেমনি পর্যটকরাও মাস্ক পরে সেই নৃত্যের আনন্দ নিচ্ছে। কলকাতার এক পর্যটক বলেন, টানা লকডাউনের পর পুজোর ছুটিতে ডুয়ার্সে এসেছি। আদিবাসী নৃত্য দারুন ভাবে উপভোগ করলাম। নৃত্য শিল্পীদের সাস্থ্যবিধি খুবই প্রশংসনীয়। করোনাকে ভয় পেয়ে নয়, করোনা মোকাবিলায় সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চলতে হবে।

অখিল ভারত কুরুক ভাইবোন সম্প্রদায় নৃত্য গোষ্ঠীর কর্মকর্তা ইউনুস ওঁরাও বলেন, লকডাউনের জন্য রিসোর্ট গুলি বন্ধ থাকায় আমরাও কর্মহীন হয়ে পড়েছিলাম। আবার পর্যটক আসা শুরু করেছে। আমরাও এখন নৃত্য দেখিয়ে দুটো পয়সা পাচ্ছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই আমরা নৃত্য করছি। পর্যটকরা নির্দ্বিধায় আসুক এই আহ্বান জানান তিনি।