একে করোনায় রক্ষে নেই, মালদায় দোসর পক্স

96

প্রকাশ মিশ্র, মালদা : করোনার মধ্যে মালদা জেলায় পক্সের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ভোটকর্মীদের অনেকের মধ্যেই করোনা ও পক্সে সংক্রামিত হচ্ছেন। সংক্রামিতদের ভোটের কাজ থেকে অব্যাহতি দিচ্ছে প্রশাসন। ফলে কমে যাচ্ছে ভোটকর্মীর সংখ্যা। তাই কিছুটা হলেও উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে প্রশাসন। শেষের দুই দফার ভোট এখনও প্রায় এক সপ্তাহ বাকি। তারমধ্যে জেলা জুড়ে করোনার বাড়বাড়ন্ত। আক্রান্তের সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে এই ব্যাপারে এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। যদিও অতিরিক্ত জেলা শাসক (সাধারণ) বৈভব চৌধুরী বলেন, এখনও পর্যন্ত ভোটকর্মী নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। যারা আক্রান্ত হচ্ছেন তাঁদের স্বাভাবিকভাবেই ভোটের ডিউটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে। পরিবর্তে রিজার্ভ থেকে কর্মীদের নেওয়া হচ্ছে। জেলায় এবার বুথের সংখ্যা প্রায় দেড় গুণ বেড়েছে। এবার বুথের সংখ্যা ৪২৩০। প্রত্যেক বুথে চারজন করে ভোটকর্মী থাকছেন। এছাড়া ভোটারদের জ্বর পরীক্ষা জন্য থার্মাল গান নিয়ে থাকবেন আশাকর্মীরা। সেই নিরিখে প্রায় ১৭হাজার ভোটকর্মী নেওয়া হয়েছে।  অতিরিক্ত হিসেবে কুড়ি শতাংশ অর্থাত্ প্রায় ৩০০০-এর  কিছু বেশি ভোট কর্মী রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে কুড়ি হাজারের কিছু বেশি ভোটকর্মীর প্রশিক্ষণ হয়েছে। এদের বেশিরভাগ প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজের  ভ্যাকসিন হয়ে গিয়েছে। তবু অনেকেই করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে ভোটের ডিউটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে প্রতিদিনই কমছে ভোটকর্মীর সংখ্যা। তাতে করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে প্রশাসনের। এক সপ্তাহ পরে এই উদ্বেগ আরও বাড়তে পারে।

প্রশাসনের অপর একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁরা আক্রান্ত হচ্ছেন তাঁদের অনেকেই আবেদনপত্র নিয়ে প্রশাসনিক ভবনের চলে আসছেন। এটা সমীচীন নয়। কোনওভাবেই সশরীরে আবেদন নিয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে আসার প্রযোজন নেই। তাঁদের ইমেল করে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এমনকি অনেকে পক্স হওয়ার পরে ওই অবস্থাতে গায়ে চাদর দিয়ে চলে আসছেন।

- Advertisement -

একটি কলেজের অধ্যাপক শ্যামল ঘোষ প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি জানান, আমার দুটি ট্রেনিং এবং দুটি টিকার ডোজ হয়েছে। তারপরেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছি। এই কারণে প্রশাসনের কাছে অব্যাহতি চেয়েছি। আমার মতো অনেকেই আক্রান্ত হয়েছেন।