বর্ষায় নদীগুলিতে জলস্ফীতি, বন্ধ ৯টি সেতুর কাজ

107

রায়গঞ্জ: উত্তর দিনাজপুর জেলার নদীগুলিতে জল বাড়তে থাকায় গ্রামীণ এলাকার ৯টি সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর এক বছর আগে সেতুগুলির নির্মাণ কাজ শুরু করেছিল। ওই ৯টি সেতু নির্মাণের জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকার কাজ চলছিল। সেতুগুলি তৈরি হলে উত্তর দিনাজপুর জেলার গ্রামীণ এলাকার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হবে। যেসব এলাকায় সেতু করা হচ্ছে সেখানে বাঁশের সাঁকো রয়েছে। বর্ষা ছাড়া অন্যান্য সময় সাঁকো দিয়েই বাসিন্দারা এপার-ওপার হন। কিন্তু বর্ষায় নদীর জলস্ফীতি হলে সাঁকো ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এই সমস্যা সমাধানে দীর্ঘদিন ধরেই সেতুর দাবি ছিল। তাই সেখানে সেতুর কাজ শুরু হয়।

উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, একদিকে লকডাউন অন্যদিকে লাগাতার বৃষ্টির জেরে সেতুগুলির নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে পড়েছে। বর্ষার স্থায়িত্বের ওপর কাজের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।পাহাড় ও সমতলে বৃষ্টির জেরে উত্তর দিনাজপুর জেলার নদীগুলিতে জলস্তর বেড়েছে। জল নেমে গেলেই দ্রুত গতিতে অসমাপ্ত কাজ শেষ করা হবে। গোয়ালপোখরে পিতানু নদীর উপর ৬০ মিটার লম্বা সেতুর জন্য বরাদ্দ হয়েছিল প্রায় ৫ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা। রায়গঞ্জে নাগর নদীতে অনন্তপুরে ৭২ মিটার দীর্ঘ সেতুর জন্য ৯ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা, ইটাহারে শ্রীমতি নদীর ওপর ৩৬ মিটার সেতুর জন্য ৩ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা। এছাড়াও ইটাহারের দুর্লভপুরে গামারি নদীর উপর ২৪ মিটার সেতুর জন্য ৩ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা, বড়বিল্লায় ৬৭ মিটার সেতুর জন্য ৬ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করে কাজ শুরু করেছে।

- Advertisement -

দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করা হবে। চার মাস পরে সেতুগুলি দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা যাতায়াত করতে পারবেন। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার তন্ময় সাহা বলেন, ‘সমস্ত সেতুর কাজ প্রায় শেষের দিকে। শুধুমাত্র অ্যাপ্রচ রোড বাকি রয়েছে। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি সমস্ত সেতুর কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।‘