এক ফসলি জমির খোঁজ শুরু কোচবিহারে

83

পারডুবি: এক ফসলি জমির সন্ধানে রাজ্য সরকারের কোচবিহার  জেলা জল সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন বিভাগের প্রতিনিধি দল মাথাভাঙ্গা ২ নম্বর ব্লক কৃষি দপ্তরে কৃষি অধিকর্তার সঙ্গে আলোচনা সারলেন পারডুবিতে। জেলা জল সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন বিভাগের তত্ত্বাবধানে এবং আদমি প্রকল্পের দ্বারা বিভিন্ন এলাকায় এক ফসলি জমি খুঁজে সেখানে দুই ফসলি বা অধিক ফসল চাষাবাদ করা যায় সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয় জল সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন বিভাগের পরিদর্শনকারী প্রতিনিধি দলের সদস্যদের তরফে।

বৃহস্পতিবার ব্লকের বিভিন্ন এলাকার এক ফসলি জমি চিহ্নিতকরণের বিষয় নিয়ে ব্লক কৃষি দপ্তর সহ কৃষি অধিকর্তার সঙ্গে আলোচনা করেন ওই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। এদিনের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা জল সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন বিভাগের আদমি প্রকল্পের প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন আধিকারিক রাজদীপ চক্রবর্তী, কৃষি বিশেষজ্ঞ সুমন রায়, সহায়ক সংস্থার কৃষি বিশেষজ্ঞ টুম্পা সরকার।

- Advertisement -

জল সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন বিভাগের কৃষি বিশেষজ্ঞ সুমন রায় জানান, এদিন মাথাভাঙ্গা ২ ব্লক কৃষি দপ্তরের সহ কৃষি অধিকর্তার সঙ্গে আলোচনা করা হয় এলাকার এক ফসলি জমি চিহ্নিতকরণের বিষয় নিয়ে। ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা একটি এক ফসলি জমির তালিকা দিয়েছেন। সেই এলাকাগুলো শীঘ্রই পরিদর্শন করে কলকাতায় উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হবে যাতে এক ফসলি জমিগুলোতে দুই ফসলি বা তিন ফসলি চাষ করা যায় বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে। এছাড়াও কোচবিহার জেলার বিলুপ্ত প্রায় দেশি ধান চাষ আগামী খারিফ মরশুমে যাতে করা যায় সেবিষয়েও এদিন আলোচনা হয়। এবিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা ডঃ মলয় কুমার মন্ডল বাবু। তার কথায়, এরফলে প্রান্তিক কৃষকেরা উপকৃত হবেন।

ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা ডঃ মলয় কুমার মন্ডল জানান, ব্লকের বেশকিছু এলাকার প্রায় ৩৯৮ হেক্টর একফসলি জমি রয়েছে। এদিন এক ফসলি জমিতে যাতে বহু ফসলি চাষ ও বিলুপ্ত প্রায় দেশি ধান চাষের বিষয়ে ওই প্রতিনিধি দলের সদস্যদের সাথে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা হয়। আগামী খারিফ মরশুমে একফসলি জমিতে কিভাবে শস্য পরিকল্পনা করলে প্রান্তিক কৃষকরা উপকৃত হবেন সেটাও এদিন আলোচনা হয়।

কোচবিহার জেলা জল সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন বিভাগের আদমি প্রকল্পের প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন আধিকারিক রাজদীপ চক্রবর্তী জানান, জেলা জল সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন বিভাগের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এক ফসলি জমি চিহ্নিতকরণ করে বহু ফসলি চাষবাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এইজন্য এলাকা পরিদর্শনের কাজ শুরু হয়েছে।