পিজ্জা, চুমু, গান আর লাকি ম্যাসকট

লন্ডন : ওয়েম্বলি আরিভিয়ামো!

লন্ডনের বুকে ইতালির ম্যাচ। ইতিউতি আজ্জুরিদের আনাগোনাও শুরু হয়ে গিয়েছে। সবার মুখে শোনা যাচ্ছে ওই একটাই বোল, ওয়েম্বলি আরিভিয়ামো। বাংলা তর্জমায় ওয়েম্বলি, আমরা আসছি। তবে ইতালি দলটার ঘরে ফেরার তাড়া অনেক বেশি। মাত্র ৩০ ঘণ্টার লন্ডন সফর। শেষ হলেই যে দেশে ফিরে যেতে হবে নেমতন্ন রক্ষায়। আসলে ওয়েলস ম্যাচের পর গোটা দলকে নিয়ে নেপলসে এক বন্ধুর রেস্তোঁরায় হাজির হয়েছিলেন লরেঞ্জো ইনসিগনে। খাইয়েছিলেন সেখানকার বিখ্যাত পিজ্জা। মুগ্ধ সতীর্থদের কথা দিয়েছেন ইনসিগনে। আবার আনবেন কাইরো অলিভাতে, নিখুঁত মার্গারিটা পিজ্জার দুনিয়ায়।

- Advertisement -

আজ্জুরিদের সাফল্যের রহস্যে শুধু পিজ্জার হাত, ভাববেন না। আরও আছে। সেই নোটবুকে যোগ হয়েছে গুডলাক কিস, ম্যাসকট, অস্কারজয়ী মিউজিক যাকে বলে ইতালির সিক্রেট রেসিপি। ৯৮-এর বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে ফাবিয়ানো বার্থেজের টাক-মাথায় চুমু খেয়ে মাঠে নামতেন লরা ব্লাঁ। মজার সেই কুসংস্কার এবার ফিরে এসেছে ইতালি শিবিরে। মানচিনির সহকারী অ্যাটিলিও ল্যাম্বার্ডোর মাথাভর্তি টাক। তাতেই চুমু খেয়ে মাঠে পা রাখছেন লিওনার্দো বনুচ্চি।

টুর্নামেন্টের নিজস্ব ম্যাসকট স্কিলজি তো রয়েছেই। তবে নিজেদের ভাগ্য বিচারে অস্কার-জয়ী মডেলার রামবাল্ডির তৈরি শিপডগ পাপ্পি ভরসা মানচিনির দলের। ইতালির ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি গ্যাব্রিয়েল গ্যাব্রিনা জানিয়েছেন, ইউরো জিতে প্রয়াত রামবাল্ডিকে চতুর্থ অস্কারের স্বাদ দিতে চান। সঙ্গে যোগ হয়েছে আরেক অস্কারজয়ী মিউজিশিয়ান জর্জিও মোরোদারের অমরসৃষ্টি আন এসতাতে ইতালিয়ার সুরমূর্চ্ছনা। ১৯৯০-এর ইতালি বিশ্বকাপে এটাই ছিল থিমসং। এখন সেটাই জর্জিও কিয়েলিনিদের অন্দরমহলের সাফল্যের চাবিকাঠি। ইউরো ইতালিময় হলে সেই সুর যে আরও চড়বে, তা বলাইবাহুল্য।