অভিযোগের যুদ্ধে সনিয়া-নাড্ডা, কলামের বিরুদ্ধে একের পর এক টুইট

487

নয়াদিল্লি: সর্বভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে নিজের কলামের সনিয়া গান্ধি অভিযোগ তুলেছেন, দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিচ্ছে মোদি সরকার৷ প্রতিশোধ এবং নিপীড়ণের মাধ্যমে মানুষের বাকস্বাধীনতার অধিকারকে খর্ব করা হচ্ছে৷ সনিয়ার এই অভিযোগের পাল্টা জবাব দিলেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা৷ সোমবার ধারাবাহিক ভাবে টুইট করে বিজেপি সভাপতির পাল্টা দাবি, কংগ্রেস যত প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াবে এবং মিথ্যে বলবে, ততই নরেন্দ্র মোদির প্রতি মানুষের ভালবাসা বাড়বে৷

মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সনিয়া গান্ধি অভিযোগ তোলেন, গণতন্ত্রের প্রতিটি স্তম্ভকেই দুর্বল করে দিচ্ছে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার৷ মতবিরোধ প্রকাশ করলেই সন্ত্রাসবাদী বা দেশদ্রোহী তকমা সেঁটে দেওয়া হচ্ছে৷ অথচ, মূল সমস্যাগুলি থেকে মানুষের নজর ঘোরাতে সর্বত্র জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্কটের দোহাই দেওয়া হচ্ছে৷

- Advertisement -

এখানেই থামেন নি সনিয়া গান্ধি। তিনি বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে মানুষই শেষ কথা৷ একজন শাসকের জীবনে মিথ্যা, অহংকার এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কোনও জায়গা নেই৷ এটাই বিজয়ায় সবথেকে বড় বার্তা৷’ দশেরা মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ আরও মজবুত করবে বলে আশাবাদী সনিয়া গান্ধি।

সনিয়ার এই বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা৷ তিনি পর পর ছ’টি টুইট বলেন, ‘দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করে উঠে এসে প্রধানমন্ত্রী হওয়া একজন মানুষের প্রতি একটি পরিবারের এই গভীর ব্যক্তিগত বিদ্বেষ ঐতিহাসিক৷ আরও ঐতিহাসিক হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি ভারতবাসীর এই ভালবাসা৷ কংগ্রেস যত প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াবে এবং মিথ্যে বলবে, ততই নরেন্দ্র মোদির প্রতি মানুষের ভালবাসা বাড়বে৷’

পালটা নাড্ডা অভিযোগ করেন, বাক স্বাধীনতা নিয়ে কংগ্রেসের প্রশ্ন তোলা মানায় না৷ কারণ দশকের পর দশক কংগ্রেসই বিরোধী স্বরকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

টুইটে নাড্ডার আরও অভিযোগ, ‘জরুরি অবস্থার সময় কংগ্রেসের এই মনোভাব বোঝা গিয়েছিল৷ পরে রাজীব গান্ধি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীনও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার চেষ্টা করেন।

একই সঙ্গে বলেন, ‘কংগ্রেসকে জোরাল আক্রমণ করে বিজেপি সভাপতি আরও বলেন, ‘বিরোধীদের কীভাবে দমন করতে হয় এবং কংগ্রেসি কায়দায় তাদের মুখ বন্ধ করতে হয়, তা মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসের আশীর্বাদ ধন্য সরকারকে দেখলেই পরিষ্কার হবে৷ কাজ করা ছাড়া বাকি সবকিছুই করছে তারা৷’

এখানেই থামেন নি নাড্ডা। তিনি ফের লেখেন, ‘’২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্বকে ক্ষমতাহীন করে রাখা হয়েছিল৷’