ইজরায়েলি দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণকাণ্ডে দায় স্বীকার জইশ-উল-হিন্দের

109
সংগৃহীত

নয়াদিল্লি: নয়াদিল্লির ইজরায়েলি দূতাবাসের কাছে বিস্ফোরণকাণ্ডে নতুন মোড়। ঘটনার তদন্তে নেমেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল, ক্রাইম ব্রাঞ্চ ও এনআইএ-র দল। ইতিমধ্যে জইশ-উল-হিন্দ নামে একটি সংগঠন বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে। তবে এটি কী ধরনের সংগঠন ও কাদের সঙ্গে এই সংগঠনের যোগ রয়েছে তার খোঁজ শুরু করেছে তদন্তকারী সংস্থা।
ইতিমধ্যেই বিস্ফোরণস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি প্যাকেটও। পুলিশি সূত্রে খবর, ওই প্যাকেটের গায়ে একটি ছোট চিঠি বা চিরকুট আটকানো ছিল। তাতে লেখা ছিল ‘এটা ট্রেলার মাত্র’। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, ইজরায়েল থেকে বিশেষ তদন্তকারী দল আসছে ঘটনার তদন্তের জন্য। ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাকে সাহায্য করার জন্য শনিবারই ওই দলের দিল্লি পৌঁছনোর কথা। অন্যদিকে, চিঠিটি ইজরায়েলি দূতাবাসের উদ্দেশে ‘বার্তা’ বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। বিস্ফোরণের পর ইতিমধ্যেই দিল্লি-মুম্বইয়ে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আইবি এবং এনআইএয়ের তদন্তকারী অফিসাররা ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরক লেগে থাকা কিছু বল বিয়ারিং উদ্ধার করেছেন। একটি আধপোড়া গোলাপি দোপাট্টাও উদ্ধার হয়েছে। এই সব কিছু পাঠানো হয়েছে ফরেন্সিক তদন্তের জন্য।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার বিকেলে এপিজে আব্দুল কালাম রোডে অবস্থিত ওই দূতাবাসের সামনে স্বল্প তীব্রতার বিস্ফোরণ হয়। কেউ হতাহত হননি। তবে কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দিল্লি পুলিশ সূত্রের খবর। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, দূতাবাসের প্রায় দেড়শো মিটার দূরে একটি আবাসনের সামনের ফুটপাথে প্লাস্টিকের প্যাকেটের মধ্যে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট জাতীয় বিস্ফোরক রাখা ছিল। ওই প্লাস্টিকের প্যাকেটের গায়েই আটকানো ছিল ওই চিঠি। ইতিমধ্যেই দিল্লি বিমানবন্দর সহ বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গাবি আশকেনাজির কথা হয়েছে। দুই দেশই এই ঘটনার তদন্তে সাহায্য করার ব্যাপারে ঐক্যমত্যে পৌঁছেছে।