বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী পরিকাঠামোর কাজ

247

জলপাইগুড়ি: বহু প্রতীক্ষিত জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী পরিকাঠামোর কাজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে। নবান্নের মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এই পরিকাঠামো নির্মাণের জন্য ওয়ার্ক অর্ডার জারি করবার নির্দেশ এসেছে জলপাইগুড়ির চিফ ইঞ্জিনিযারের দপ্তরে। যে সংস্থা সিকিমে রেল লাইন তৈরির কাজে নিয়োজিত তারাই সার্কিট বেঞ্চের পরিকাঠামো নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে।প্রথম পর্যায়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পাশাপাশি ১০ জন বিচারপতির বাংলো, কোর্ট রুম, বার লাইব্রেরি,  স্টাফদের জন্য টাইপ-৩ এবং টাইপ-৪ বিশিষ্ট ৭২টি কোয়ার্টার নির্মাণ করা হবে। নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণ কাজের জন্য বাজেট বরাদ্দ ৩৫১ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৩৭৫ কোটি টাকা করা হয়েছে। জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের বিচার পরিষেবার আওতায় উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা দ্রুত আসবে বলেও জানা গেছে। স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণের কাজের আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং ছাড়পত্র পাবার পরিপ্রেক্ষিতে জলপাইগুড়ি জুড়ে খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে। সার্কিট বেঞ্চ দাবি আদায় সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক কমলকৃষ্ণ ব্যানার্জী জানান, দ্রুততার সঙ্গে স্থায়ী পরিকাঠামোর নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হবে।এটাই তারা প্রত্যাশা করেন। জলপাইগুড়ি জেলা তণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দুলাল দেবনাথ জানান, বিরোধীরা সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণের বিষয়ে রাজ্য সরকারকে অভিযোগের কাঠগোড়ায় দাঁড় করিয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গের উন্নযনের জন্য কত আন্তরিক তা আরেকবার প্রমাণ হল সার্কিট বেঞ্চ স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণের কাজের ছাড়পত্রের মাধ্যমে। পূর্ত দপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার ভাস্কর ঘোষ জানিয়েছেন, তাঁরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ করবেন।