শুয়োরের অবাধ গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে নির্দেশ জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের

49

জলপাইগুড়ি: শুয়োরের অবাধ গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে তৎপর কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ। এলাকায় শুয়োরের পালের অবাধ গতিবিধি এবং আবর্জনা জমে থাকায় চরম অস্বাস্থ্যকর হয়ে রয়েছে পরিবেশ। এর জেরেই জলপাইগুড়ি অতিরিক্ত জেলা শাসক(উন্নয়ন), জলপাইগুড়ি মিউনিসিপ্যালিটি এবং প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারি অফ আরবান অ্যাফেয়ার্সকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের ডেপুটি রেজিষ্ট্রার। শুক্রবার বিকেলে কলকাতা হাই কোর্টের সার্কিট বেঞ্চে কোর্ট অফিসার ইনচার্জ রাহুল বণিক এ কথা জানিয়েছেন।

জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ সংলগ্ন স্টেশন এলাকায় প্রতিদিন বাজার বসে। এই বাজারের পরিবেশ চরম অস্বাস্থ্যকর। শুধু শুয়োরের পাল নয় কুকুরের পালও স্টেশন বাজার চত্ত্বরে অবাধেই ঘুরে বেড়ায়। জলপাইগুড়িবাসীর তরফে দীর্ঘদিন ধরেই স্টেশন বাজারকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এবং আধুনিক মার্কেট কমপ্লেক্সে রূপান্তরিত করার দাবি জানানো হয়েছে। যদিও শহরবাসীর এই দাবি এখনও অধরাই থেকেছে। বাসিন্দাদের বক্তব্য, হাইকোর্টের চিঠি পাওয়ার পর স্টেশন বাজারের শ্রী ফেরাতে পুর কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসবেন বলে মনে হয়।

- Advertisement -

জলপাইগুড়ি ডিস্ট্রিক্ট মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা কিশোর মারোদিয়া জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরেই জলপাইগুড়ি স্টেশন মার্কেটের উন্নতির দাবিতে সরব হয়েছেন। নির্দিষ্টভাবে স্টেশন বাজারের সংস্কারের জন্য প্রস্তাব দিয়েছেন তারা। কিন্তু সেই প্রস্তাবে ছাড়পত্র পাওয়া যায়নি। জলপাইগুড়ির জনসংখ্যা বাড়ছে। চাকরিজীবীদের অধিকাংশ স্টেশন বাজার থেকেই বাজার করেন। অথচ এই বাজারের শ্রীহীন অবস্থা। জলপাইগুড়ি পুরসভার তরফে শুয়োর উচ্ছেদ অভিযানের শুরু করা হয়েছিল। বিক্ষিপ্তভাবে এই অভিযান হলেও ধারাবাহিকতা না থাকাতে শুয়োরের পাল অবাধেই স্টেশন বাজার এবং কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ চত্ত্বরে চষে বেড়ায়। জলপাইগুড়ি পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য সন্দীপ মাহাতো বলেন, ‘হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের নির্দেশ আমরা পেয়েছি। নির্দেশ অনুসারে অক্ষরে অক্ষরে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এই কাজে অগ্রাধিকার দেবে পুরসভা।‘