উদ্বোধনের এক মাসের মাথায় বিকল অক্সিজেন প্ল্যান্ট

318

জলপাইগুড়ি: উদ্বোধনের এক মাসের মাথায় বিকল হয়ে গেলে জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালের অক্সিজেন প্ল্যান্ট। গত পাঁচদিন ধরে খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে অক্সিজেন প্ল্যান্টটি। এর জেরে ফের সেই পুরোনো পদ্ধতিতে ‘ডি টাইপ’ সিলিন্ডারের সাহায্যে সেন্ট্রাল পাইপলাইনে অক্সিজেন সরবরাহ হচ্ছে। অক্সিজেন পরিষেবা না হলেও চালু হওয়ার এক মাসের মধ্যে প্ল্যান্ট বিকল হয়ে যাওয়ায় মেশিনারির গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইতিমধ্যে বিষয়টি হাসপাতালের তরফে প্ল্যান্টের মেশিন সরবরাহকারী সংস্থা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যভবনের নজরে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপার ডাঃ রাহুল ভৌমিক।

জুন মাসের ২৫ তারিখ ঘটা করে উদ্বোধন হয় অক্সিজেন প্ল্যান্টটির। উদ্বোধনের এক মাসের মাথাতেই বিকল হয়ে পড়ে প্ল্যান্টটি। জানা গিয়েছে, প্ল্যান্টটি স্থাপনের সময় একটি যন্ত্রাংশ বিকল ছিল। সেই সময় সেটিকে পরিবর্তন করে নতুন লাগিয়ে দেয় সরবরাহকারী সংস্থা। এরপরেও মাঝেমধ্যে পরিষেবার বিঘ্ন ঘটছিল। হাসপাতাল সূত্রে খবর, এই প্ল্যান্টটি পরিবেশের বাতাস থেকে অক্সিজেন উৎপাদন করে তা সরবরাহ করত। সম্প্রতি উৎপাদিত অক্সিজেনের গুণগত মান যথেষ্টই খারাপ হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে প্ল্যান্টটি বন্ধ করে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই ধরনের অক্সিজেন প্ল্যান্ট যেহেতু হাসপাতালের কর্মীদের কাছে একদমই নতুন। সেকারণে প্ল্যান্টের ওপর পুরোপুরি ভরসা না রেখে বিকল্প পদ্ধতি তৈরি করা ছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। বর্তমানে আগের পুরোনো পদ্ধতিতেই সিসিইউতে অক্সিজেন পরিষেবা চলছে। করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের কথা মাথায় রেখে জেলা হাসপাতালেই চলছে পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (পিকু)। সেখানেও এই প্ল্যান্ট থেকেই অক্সিজেন সরবরাহের পরিকল্পনা নিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চালু হওয়ার এক মাসের মধ্যে বিকল হয়ে যাওয়ায় আগামীতে পিকুর জন্য এই প্ল্যান্ট কতটা নির্ভরযোগ্য হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যে ভাবনা শুরু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

- Advertisement -