করোনা আবহেও জামাই আদরে খামতি নেই এই জেলায়

168

আলিপুরদুয়ার: আজ জামাইষষ্ঠী। সারাবছরের পর জমিয়ে জামাই আদর হবে আজ। বাঙালীর ১২ মাসে ১৩ পার্বণের এক অন্যতম বড় পার্বণ আজ। জামাইদের অ্যাপায়নেও খামতি রাখছেন না শাশুড়িরা। ফল,মাছ,মাংসের সঙ্গে থাকছে বিভিন্ন মিষ্টিও। করোনা আবহে এই পার্বণ একটু ফিকে হলেও  ইলিশের সঙ্গে রসগোল্লা আর হরেক রকমের ব্যাঞ্জন দিয়ে জমজমাট হতে চলছে জামাই ষষ্ঠী।

জ্যৈষ্ঠ মাসের বদলে এবারের জামাইষষ্ঠী আষাঢ়ের প্রথম দিনে। আলিপুরদুয়ার জুড়ে বিভিন্ন রকমের খাবার নিয়ে তৈরি ব্যাবসায়ীরা। মঙ্গলবার থেকেই কেনাকাটার বাহারে সেটা চোখে পরেছে। মিষ্টির মধ্যে স্পেশাল ভাবে শহরে পাওয়া যাচ্ছে বেকড রসগোল্লা। সাধারণ রসগোল্লা বানিয়ে তার উপর মালাইয়ের প্রলেপ দিয়ে মাইক্রোওভেনে গরম করায় রসগোল্লা আরো নরম এবং সুস্বাদু হয়। এছাড়াও জামাইষষ্ঠীর জন্য শহরে পাওয়া যাচ্ছে আম দই। সাধারণ ক্ষীর দই যেখানে বিক্রি বছর ২২০ টাকা কেজি, সেখানে ২৪০-২৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া আম দইয়ের বিশেষ চাহিদা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও মালাই চপ,কেশর মালাই,মিহি দানা, কাজু বরফিও পড়তে জামাইদের পাতে। আর এই সব মিষ্টিই ১০ টাকা থেকে ৪০ টাকার মধ্যে। শহরের মিষ্টি ব্যাবসায়ী জয়দেব ঘোষ জানান,ষষ্ঠীর বাজারের জন্য বিশেষ ভাবে অনেক ধরনের মিষ্টি বানানো হচ্ছে। চাহিদাও রয়েছে প্রচুর।

- Advertisement -

বিভিন্ন মিষ্টির পাশাপাশি ল্যাংড়া, হিমসাগর আমও ভালো বিক্রি হচ্ছে। ৫০-৬০ টাকার মধ্যেই খোলা বাজারে আম বিক্রি হচ্ছে। আলিপুরদুয়ারের আবার বক্সার চুনাভাটির লিচুও কামাল করছে। বিহার থেকে এবার আসেনি লিচু। তাই আলিপুরদুয়ারের জামাইদের পাতে পড়বে জেলারই লিচু। বাংলাদেশ এবং বার্মার ইলিশও বাজার গরম করছে এবার। আধা কেজির কাছাকাছি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়। বড় ইলিশ পাওয়া গেলেও,দাম আকাশ ছোয়া। ১৫০০-১৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বড় ইলিশ। সব মিলিয়ে আলিপুরদুয়ারে জামাইদের আপ্যায়ণের রাজকীয় বন্দোবস্ত চোখে পড়ার মত।