৬ লক্ষ টাকার আলু লোপাট কাণ্ডে গ্রেপ্তার ঝাড়খণ্ডের পরিবহণ ব্যবসায়ী

122

বর্ধমান: ছয় লক্ষ টাকা মূল্যের আলু লোপাট হওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার হলেন ঝাড়খণ্ডের এক পরিবহণ ব্যবসায়ী। ধৃতের নাম চিত্তরঞ্জন প্রসাদ। তাঁর বাড়ি ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ধানবাদের বিজ্ঞান বিহার কলোনিতে। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল দক্ষিণ থানার গোপালপুর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ। যে লরিতে বোঝাই করে আলু পাঠানো হয়েছিল সেটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে ধৃতকে জেরায় জানতে পেরেছে পুলিশ।

সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে। লোপাট হওয়া আলু উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিস পেতে ধৃতকে সাত দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। সিজেএম সুজিত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ধৃতের পাঁচ দিন পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেছেন।

- Advertisement -

পুলিশ জানিয়েছে, কিছুদিন আগে ব্যবসায়ী কিরণ সাউ মেমারি থানার পরিবহণ ব্যবসায়ী লালন চৌধুরির সংস্থার মাধ্যমে ভিনরাজ্যে ২৩ টন আলু পাঠান। ওই আলুর দাম প্রায় ছয় লক্ষ টাকা। কিন্তু, আলু গন্তব্যে পৌঁছোয়নি। কারণ জানতে লালন ঝাড়খণ্ডের পরিবহণ ব্যবসায়ী চিত্তরঞ্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। চিত্তরঞ্জন তাঁকে আলু বোঝাই গাড়ির চালক ও খালাসির ঠিকানা দেন। কিন্তু, তিনি আলুর লরির বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি। এরপর লালন ঝাড়খণ্ডে যান। সেখানে গেলে তাঁকে হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। তিনি ফিরে এসে মেমারি থানায় বিষয়টি জানান। থানা ব্যবস্থা না নেওয়ায় লালন বর্ধমান আদালতে মামলা করেন। সিজেএম কেস রুজু করে তদন্তের জন্য মেমারি থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, চিত্তরঞ্জন ও তাঁর কয়েকজন সঙ্গী মিলে ওই আলু মাঝপথে বিক্রি করে দিয়েছেন। একইভাবে মেমারি থানার হাটপুকুরের পরিবহণ ব্যবসায়ী সঞ্জয় মণ্ডলও বিহারে ৫৩২ বস্তা আলু পাঠান। সেই আলুও নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছোয়নি। তিনিও আদালতে মামলা করেছেন। এক্ষেত্রেও আদালত কেস রুজু করে পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।