বাবার কর্তব্য নিয়ে ওলে-হোসে তর্জা

লন্ডন : গোল বাতিল নিয়ে তর্জায় জড়ালেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড কোচ ওলে গানার সোলসায়ার এবং টটেনহ্যাম হটস্পারের বস হোসে মোরিনহো।

ঘটনার সূত্রপাত রবিবারের টটেনহ্যাম বনাম ইউনাইটেড ম্যাচে। ৩৫ মিনিটে এডিনসন কাভানির গোলে এগিয়ে গিয়েছিলেন ওলেরা। কিন্তু ফাউলের জন্য সেই গোল বাতিল করেন রেফারি ক্রিস কাভানাঘ। বাস্তবে গোলের আগেই বল নিয়ে দৌড়ানোর সময় ইউনাইটেডের স্কট ম্যাকটোমিনের হাত টটেনহ্যামের হিউং-মিন সনের চোখে লাগে। বিষয়টি দেখার পর ভিএআর দেখে ফাউলের জন্য গোল বাতিল করেন রেফারি। যদিও ইউনাইটেড শিবিরের বক্তব্য, সনের প্লে-অ্যাক্টিংয়ে বিভ্রান্ত হয়েছেন রেফারি। এ প্রসঙ্গে সোলসায়ার বলেন, গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত একেবারেই ভুল। এর সঙ্গেই তিনি দাবি করেন, আমার ছেলে যদি মাঠে ৩ মিনিট পড়ে থাকত এবং ওকে তুলতে দশজন সতীর্থের প্রযোজন হত, তবে আমি তাকে না খাইয়ে রাখতাম। রেফারিকে ভুল বোঝাতে পারলেও আমাদের বোকা বানাতে পারেনি।

- Advertisement -

যদিও সোলসায়ারের এমন মন্তব্যে হতাশ মোরিনহো। তিনি বলেন, প্রথমত সনকে নিয়ে ওলের এমন মন্তব্যে আমি অবাক হয়েছি। এভাবে বিপক্ষের ফুটবলারকে উদ্দেশ্য করে আমার ছেলে হলে খেতে দিতাম না জাতীয় মন্তব্যের কী জবাব দেওয়া যায় জানি না। এটা একেবারেই কাম্য নয়। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, তবে সন ভাগ্যবান যে ওর পিতা ওলের থেকে ভালো। আমি নিজেও একজন পিতা। একজন পিতা হিসেবে সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেওয়াই আমাদের প্রধান কর্তব্য। সন্তানকে খাওয়ানোর জন্য আমি চুরি করতেও রাজি। ইউনাইটেডের যন্ত্রণা বাড়িয়ে রবিবারের ম্যাচে সনের গোলেই এগিয়ে যায় টটেনহ্যাম। তবে শেষ পর্যন্ত ফ্রেড, কাভানি ও ম্যাসন গ্রিনউডের সৌজন্যে ৩-১ গোলে জেতে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড।

অন্যদিকে, রবিবাসরীয় ম্যাচের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় সন হেনস্তার মুখে পড়েন বলে অভিযোগ টটেনহ্যামের। কোরিয়ান তারকাকে উদ্দেশ্য করে জাতিবিদ্বেষী মন্তব্য করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। এক বার্তার ক্লাব জানিয়েছে, বিষয়টি প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের পরিচালকদেরও জানানো হয়েছে। এর আগে নিউক্যাসেল ম্যাচের পর দলের কলম্বিয়ান ফুটবলার ডেভিনসন স্যাঞ্চেজকেও এধরনের কথা বলা হয়েছে। সেসময় টটেনহ্যাম কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের কাছে দোষীদের শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। এর আগে প্রাক্তন ফরাসি তারকা থিয়েছি অঁরি বর্ণবাদ ও জাতিবিদ্বেষের প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন।