কালিয়াচক কাণ্ডে রহস্যময় কফিন বাক্সের সূত্রে এগোচ্ছে তদন্ত

106
ফাইল ছবি।

কালিয়াচক: ইতিমধ্যে কালিয়াচক খুন কাণ্ডে তদন্তভার পেয়েছে সিআইডি এবং এসটিএফ। অন্যদিকে, তদন্তে গতি আসতেই ক্রমে নয়া নয়া তথ্য উঠে আসছে সামনে। ধৃতের বয়ানের ভিত্তিতে এবার তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা উদ্ধার করলেন প্রচুর প্লাইউড এবং দুটি মার্বেল। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া ওই প্লাইউড দিয়ে কফিনের ন্যায় বাক্স করেছিল ধৃত। এরপর সঙ্গাহীন অবস্থায় একে একে বাবা, মা, বোন এবং ঠাকুমাকে সেই কফিনের ন্যায় বাক্সে ভরে চৌবাচ্চায় ফেলে প্রাণে মারা হয়। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত হতেই একে একে মৃতদেহগুলি সেই কফিন থেকে বার করে মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়।

ইতিমধ্যে কালিয়াচক খুন কাণ্ডে তদন্তে নেমে মূল অভিযুক্ত আসিফের বন্ধু সাবীর আলি এবং মোহাম্মদ মাহফুজ আলির বাড়ি থেকে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র সহ ১০টি ম্যাগজিন, ৮০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ। অন্যদিকে উদ্ধার হয়েছিল মূল অভিযুক্তের বাড়িতে থেকে উদ্ধার হয়েছিল একাধিক কম্পিউটর এবং মোবাইল ফোন। সেসব খতিয়ে দেখা হবে। এবার উদ্ধার হল প্রচুর প্লাইউড এবং দুটি মার্বেল। সেসব উদ্ধার হয়েছিল ধৃত সাবির আলির বাড়ি থেকে।

- Advertisement -

পুলিশ সূত্রে খবর, প্রায় সপ্তাহ খানেক আগে সেই প্লাইউডগুলি খুলে সাবীর আলীর বাড়িতে রেখে আসে আসিফ। যদিও সাবির আলি প্রথমে অস্বীকার করেছিল বলেই খবর। সাবির আলির মা পলি বিবি বলেন, ‘আমি আসিফকে বলেছিলাম আমার ছোট বাড়ি এখানে প্লাইউডগুলো রাখলে অসুবিধা হবে। কিন্তু সে আমাকে বলে কিছুদিনের জন্য রাখবে। বাড়ি বিক্রি হয়ে গেলেই ওগুলোও বিক্রি করে দেওয়া হবে।’

এদিকে, তদন্তে গতি আসার পাশাপাশি একাধিক রহস্য উন্মোচিত হতেই পুলিশ কর্তাদের অনুমান ১৯ বছর বয়সি আসিফ দীর্ঘ কয়েক মাস ধরেই খুনের ছক কষে চলেছিল। যদিও খুনের সঠিক কারণ এখনও উন্মোচিত হয়নি।