Breaking News: লালদুর্গে ভাঙন, তৃণমূলে যোগ দিলেন কমল-রামভজন

170

শিলিগুড়ি: বাম ছেড়ে জোড়াফুল শিবিরে নাম লেখালেন শিলিগুড়ি পুরনিগমের দুই বিদায়ী কাউন্সিলার। বুধবার পুরনিগমের প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারপার্সন গৌতম দেবের হাত থেকে পতাকা নিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন সিপিএমের কমল আগরওয়াল ও আরএসপির রামভজন মাহাতো। রামভজনবাবু পুরনিগমের ডেপুটি মেয়রও ছিলেন। বিধানভবনে তৃণমূল কার্যালয়ে এদিন ওই যোগদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা সভাপতি রঞ্জন সরকার।

কিছুৃদিন আগেও ‘লালদুর্গ’ বলে পরিচিত ছিল শিলিগুড়ি। ২০১৬ সালে তৃণমূল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এলেও শিলিগুড়ির নাগরিকরা আস্থা রেখেছিলেন অশোক ভট্টাচার্যের ওপর। তিনি সেবছর বিধায়ক নির্বাচিত হন। এছাড়া শিলিগুড়ি পুরনিগমও বামেদের দখলে ছিল। যার মেয়র ছিলেন অশোকবাবু। এবছর বিধানসভা নির্বাচন শুরু হওয়ার আগেই লালদুর্গে ধস নামে। বাম ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখান যুব নেতা তথা প্রাক্তন মেয়র পারিষদ শংকর ঘোষ। শিলিগুড়িতে তাঁকে প্রার্থী করে বিজেপি। অশোক ভট্টাচার্যকে হারিয়ে তিনিই ভোটে জয়ী হন।

- Advertisement -

ভোট মিটতেই ফের একবার ভাঙন শুরু হয়েছে লালদুর্গে। এদিন পুরনিগমের দুই বিদায়ী কাউন্সিলার কমল আগরওয়াল ও রামভজন মাহাতো বাম ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখান। এবিষয়ে গৌতম দেব ও রঞ্জন সরকার জানান, এবছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটে যেভাবে লড়াই করেছেন, তা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন ওই দুই বিদায়ী কাউন্সিলার। করোনা মোকাবিলাই এই মুহূর্তে তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।

এবছর ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা আসনে বিজেপির শিখা চট্টোপাধ্যায়ের কাছে বিপুল ভোটে হেরেছেন প্রাক্তন পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। এরপর তাঁকে শিলিগুড়ি পুরনিগমের প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারপার্সন পদে পুনর্বাসন দেন দলনেত্রী। পুরনিগমে ভোটের কথা মাথায় রেখেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই পদক্ষেপ করেন বলে মনে করছে রাজনৈতিকমহল। প্রশাসকের দায়িত্ব নেওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই যেভাবে তৃণমূলের ঘর গোছাতে শুরু করেছেন গৌতম, তাতে সেই অনুমান আরও জোরাল হল।