কঙ্গনা রানাউতের অফিস ভাঙায় স্থগিতাদেশ দিল বম্বে হাইকোর্ট

1534
সংগৃহীত

মুম্বই: অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের অফিস ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ দিল বম্বে হাইকোর্ট। বুধবার বান্দ্রার পালি হিলে কঙ্গনার মণিকর্ণিকা ফিল্মজের দপ্তর ভাঙার কাজ শুরু করেছিল বৃহন্মুম্বই পুরসভা (বিএমসি)। তাঁর দপ্তরের একাংশ ভেঙেও ফেলা হয়। সেই কাজ বন্ধ রাখতে স্থগিতাদেশ দিয়েছে বম্বে হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে আদালতে পুরসভার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এদিন অভিনেত্রী আদালতে যে আবেদন জমা দিয়েছিলেন, বিএমসি কর্তৃপক্ষকে তারও জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

গতকাল বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ তুলে পালি হিলে কঙ্গনার মণিকর্ণিকা ফিল্মসের একটি দপ্তরের বাইরে বিএমসি-র তরফে নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছিল অভিনেত্রীকে। বুধবার সকাল পর্যন্ত তা এসে না পৌঁছাতে এদিন দুপুরে বুলডোজার নিয়ে অফিস ভাঙার কাজ শুরু করে বিএমসি। অফিসের বাইরে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। এই নিয়ে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কঙ্গনা। তাতে সাড়া দিয়েই এদিন নির্মাণ ধ্বংসের উপর স্থগিতাদেশ দেয় আদালত।

- Advertisement -

এদিন মুম্বইয়ে ফেরার আগে হিমাচলপ্রদেশের বাড়ি থেকে টুইটারে সরব হন কঙ্গনা। মুম্বই পুলিশকে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবরের সঙ্গে তুলনা করে তিনি লেখেন, ‘মণিকর্ণিকা ফিল্মজের অধীনে প্রথমে অযোধ্যা নামের একটি ছবির ঘোষণা হয়। আমার জন্য সেটি শুধুমাত্র ইট-পাথরের কোনও ইমারত নয়, বরং রামমন্দিরের সমান। আজ সেখানে বাবর এসেছে। ফের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। ফের রামমন্দির ভাঙা হবে। কিন্তু একটা কথা মনে রেখো বাবর, মন্দির ফের গড়ে উঠবেই। জয় শ্রী রাম, জয় শ্রী রাম।’ পাশাপাশি কোনও বেআইনি নির্মাণ করা হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি।

https://twitter.com/KanganaTeam/status/1303563425193189376?s=20

https://twitter.com/KanganaTeam/status/1303586065597440000?s=20

অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু তদন্তে মুম্বই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রথম থেকেই সরব হয়েছেন কঙ্গনা। সম্প্রতি তিনি এও মন্তব্য করেন, শিবসেনা-এনসিপি এবং কংগ্রেসের জোট সরকারের আমলে মুম্বই পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পরিণত হয়েছে এবং সেখানে ফিরতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সেই নিয়ে মহারাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে তাঁর টানাপোড়েন শুরু হয়। কঙ্গনাকে মুম্বইয়ে নিরাপদে ফেরানো নিয়ে তাঁকে ওয়াই প্লাস নিরাপত্তাও দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এমন পরিস্থিতিতে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ তুলে সম্প্রতি পালি হিলে কঙ্গনার দপ্তরের বাইরে নোটিশ ঝুলিয়ে যায় বিএমসি। তাঁকে হেনস্তা করতেই মহারাষ্ট্র সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটা করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।