চার বছরেও কর্মতীর্থ ভবন চালু হয়নি

মনজুর আলম, চোপড়া : চোপড়া ব্লকের একাধিক এলাকায় শম্বুকগতিতে কর্মতীর্থ ভবনের কাজ চলছে। কোথাও আবার ব্যবসাযীদের সুবিধার্থে এধরনের ভবন তৈরির চার বছর পরও তা চালু হয়নি বলে অভিযোগ।

চোপড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দিঘিটোলা এলাকায় গত এক বছর আগেই কর্মতীর্থ ভবনের কাজ শেষ হয়। করোনা আবহে এখানেই মূল কোয়ারান্টিন সেন্টার করা হয়। অন্যদিকে, মাঝিয়ালি ও সোনাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এখনও ভবন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ। আবার লক্ষ্মীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষ্মীপুর বাজার এলাকায় ভবন তৈরির চার বছর পরও চালু না হওয়ায় ব্যবসাযী মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা তথা জেলা পরিষদ সদস্য আজিজ আহমেদ বলেন, জেলা পরিষদের বিগত বোর্ডের আমলে এখানে ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে ভবন তৈরির জন্য ৬৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ মিলেছিল। কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে এখনও উদ্বোধন বাকি রয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত ও প্রশাসনের উদাসীনতায় ভবন উদ্বোধনের কাজ আটকে পড়েছে। অথচ লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে ভবন নির্মাণ করেও ফেলে রাখা হয়েছে। লক্ষ্মীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সূত্রে খবর, এলাকায় রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এব্যাপারে পদক্ষেপ করা সম্ভব হয়নি।

- Advertisement -

এদিকে, মাঝিয়ালির কাঁচাকালী বাজার এলাকার এখনও কর্মতীর্থ ভবনের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় বাসিন্দা তথা পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ অসমাতার বেগম বলেন, কর্মতীর্থ ভবনের কাজ প্রায় শেষের দিকে। এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা। সোনাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতেও কর্মতীর্থ ভবনের কাজ চলছে। মাঝে বেশ কয়েক মাস কাজ বন্ধ ছিল। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মহম্মদ আজহারউদ্দিন বলেন, অনেক আগেই লক্ষ্মীপুরে একটি কর্মতীর্থ তৈরি হয়। চোপড়া, মাঝিয়ালি ও সোনাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তিনটি কর্মতীর্থ ভবনের কাজ শুরু হলেও চোপড়ায় প্রায় বছরখানেক আগেই কাজ সম্পন্ন হয়। শুনেছি, ঠিকাদারদের বিল সংক্রান্ত সমস্যায় সোনাপুর ও মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতে ওই কাজে দেরি হচ্ছে।