রাজ্যে রাজ্যে বাজিহীন দীপাবলির নির্দেশিকা

273

নয়াদিল্লি: একদিকে করোনা সংকট, অন্যদিকে বায়ুদূষণের সমস্যা, দুয়ের জাঁতাকলে শেষমেশ একাধিক রাজ্য বাজিহীন দীপাবলীর পালনের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজস্থান, ওডিশা, সিকিম, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্রের পর কর্ণাটকেও আতশবাজি বেচাকেনা এবং পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

শুক্রবার কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা বলেন, আমরা দীপাবলিতে আতশবাজি পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শীঘ্রই এইমর্মে নির্দেশ জারি করা হবে। করোনা এবং অন্যান্য কারণে এই সিদ্ধান্ত। বৃহস্পতিবার রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সুধাকর বলেছিলেন, যাঁরা ইতিমধ্যে করোনায় সংক্রামিত হয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আতশবাজির ধোঁয়া মারাত্মক হতে পারে। বিশেষজ্ঞরাও আতশবাজি ব্যবহারে নিযন্ত্রণ আরোপের কথা বলেছেন। মহারাষ্ট্র সরকারের তরফেও আতশবাজিহীন দীপাবলি পালন করার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। দেশে করোনা সংক্রমণে এখনও পুরোপুরি লাগাম টানা যায়নি। বরং উৎসবের মরশুম কাটলে সংক্রমণ আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই বিভিন্ন রাজ্য সরকার আলোর উৎসবকে আতশবাজিহীন করার পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে। গত সোমবার রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট করোনা সংক্রামিতদের কথা ভেবে প্রথমে আতশবাজি বিক্রি ও পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। রাজস্থানের দেখাদেখি ওডিশাও ১০ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত আতসবাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। করোনার পাশাপাশি শীতের শুরুতে বায়ুদূষণে নাজেহাল দিল্লিবাসী। তাই দেরি না করে দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকারও আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আতশবাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আবেদনে সিলমোহর দিয়ে কালীপুজো, দীপাবলি ও ছটপুজোয় আতশবাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

- Advertisement -