জিতেও জুতো নিয়ে প্রতিপক্ষকে খোঁচা

টোকিও : বিশ্বরেকর্ড করে অলিম্পিকের মঞ্চে সোনা জিতেছেন। কিন্তু তাতেও প্রতিপক্ষের জুতো নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন নরওয়ের ৪০০ মিটার হার্ডলস রানার কার্স্টেন ওয়ারহোম। তাঁর নিশানায় রুপোজয়ী মার্কিন অ্যাথলিট রাই বেঞ্জামিন।

মঙ্গলবার টোকিওয় অলিম্পিক স্টেডিয়ামে ৪০০ মিটার হার্ডলসে অদ্ভত নজির তৈরি হয়েছে। কার্স্টেন (৪৫.৯৪ সেকেন্ড) ও রাই (৪৬.১৭ সেকেন্ড) তো বটেই, ব্রোঞ্জজয়ী ব্রাজিলের অ্যালিসন ডস স্যান্টোসও (৪৬.৭২ সেকেন্ড) পূর্ববর্তী বিশ্বরেকর্ড ভেঙেছেন। রাই ও অ্যালিসন তৈরি করেছেন মহাদেশীয় রেকর্ড। যদিও দৌড় শেষে রাইয়ের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন কার্স্টেন। এই মার্কিন অ্যাথলিটের জুতোর নীচে একটি এয়ার প্যাড রয়েছে। যা দৌড়ানোর সময় প্রতি পদক্ষেপে অ্যাথলিটকে বেশি উঁচুতে লাফাতে সাহায্য করে। এ প্রসঙ্গে কার্স্টেনের বক্তব্য, এটা জুতোর নীচে ট্রাম্পোলিন রাখার সমান। এটা আমাদের খেলার সম্মানের জন্য ক্ষতিকর পদক্ষেপ। আমি জানি না জুতোর নীচে কেন কিছু ব্যবহার করা হবে।

- Advertisement -

কার্স্টেনের জুতো তৈরির ক্ষেত্রে পুমা হাত মিলিয়েছে মার্সিডিজ বেঞ্জের ফর্মুলা ওয়ান দলের সঙ্গে। তাঁর জুতোর নীচে কার্বন ফাইবারের পাতলা আস্তরন রয়েছে। যার ফলে দৌড়ানোর সময় অ্যাথলিটের গোড়ালির ওপর চাপ কম পড়ে। যদিও তাঁর সাফাই, এই আস্তরন যতটা সম্ভব পাতলা করে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিপক্ষের কথার জবাব দিতে গিয়ে সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেননি রাই। বরং ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন ক্রিকেটার উইনস্টন বেঞ্জামিনের ছেলে বলেন, লোকে জুতো, ট্র‌্যাক এসব নিয়ে অনেক কথা বলে। তবে আমি অন্য কোনও জুতো পরেও এই সময়ে দৌড় শেষ করব। জুতো বা ট্র‌্যাক প্রভাব ফেলে না এমন নয়। কবে দিনের শেষে ফলাফল অ্যাথলিটের ওপর নির্ভর করে।

মঙ্গলবারের এই দৌড়ে তিন পদকজয়ীর পাশাপাশি আরও তিনজন জাতীয় রেকর্ড করেছেন। কিন্তু সেসব ছাপিয়ে এখন বড় হয়ে উঠেছে জুতো-বিতর্ক।