হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ার্স অ্যান্ড ট্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেদারকণ্ঠ অভিযান সফল

519

দীপঙ্কর মিত্র, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জের হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ার্স অ্যান্ড ট্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের কেদারকণ্ঠ পর্বতাভিযান সফল হল। শনিবার তাঁরা উত্তরাখণ্ডের শাঁকরিতে ফিরে এসেছেন। রবিবার দেরাদুনে পৌঁছোবেন তাঁরা। শাঁকরি থেকে এমনটাই জানিয়েছেন অভিযাত্রী দলের ম্যানেজার নীলাদ্রি সিনহা।

লকডাউনের পর এই প্রথম কেদারকণ্ঠ পর্বতাভিযানের উদ্যোগ নিয়েছিলেন সংস্থার সদস্যরা। গত ৯ জানুয়ারি ভোরে এক মহিলা সহ মোট পাঁচ পর্বতারোহী কলকাতার উদ্দ্যেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন এবং ১১ জানুয়ারি তাঁরা ঝাড়খণ্ডের শাঁকরিতে পৌঁছোন। সেখান থেকে কেদারকণ্ঠের বেস ক্যাম্পের উদ্দ্যেশ্যে অভিযান শুরু করেন। গত ১৫ জানুয়ারি অভিযাত্রী দলের সদস্যরা বেস ক্যাম্পে সামিট করেন। এদিন শাঁকরিতে পৌঁছোন তাঁরা এবং আগামীকাল দেরাদুন হয়ে কলকাতার উদ্দ্যেশ্যে রওনা দেবেন।

- Advertisement -

অভিযাত্রী দলের ম্যানেজার নিলাদ্রি সিনহা বলেন, ‘উত্তরাখণ্ডের শাঁকরি থেকেই শুরু হয়েছে আমাদের কেদারকণ্ঠ শীর্ষে ওঠার অভিযান। প্রথম দিন ৯ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে আমরা পৌঁছে যাই জুড়া-কি-তালাব। ছোট্ট বরফে জমে যাওয়া একটি লেকের ধারে ছিল ক্যাম্পটি। পরের দিন সেখান থেকেই আমরা পৌঁছে যাই কেদারকণ্ঠ বেস ক্যাম্পে। কেদারকণ্ঠ শীর্ষের উচ্চতা ১২ হাজার ৫০০ ফুট। সংস্থার পতাকাকে কেদারকণ্ঠ শীর্ষে উত্তোলন করেছি আমরা।’

উত্তরাখণ্ডের রাজধানী দেরাদুন থেকে প্রায় দু’শো কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম শাঁকরি। শাঁকরির উচ্চতা ৬,৫০০ ফুট। সেখান থেকেই সংস্থার সদস্যদের হাঁটাপথে যাত্রাপথ শুরু হয় কেদারকণ্ঠ শীর্ষে ওঠার।