মাহিভাই যথার্থ অর্থেই ক্যাপ্টেন কুল!

দুবাই : প্রথমবার আইপিএলে ব্যাট হাতে নামা। তাও একেবারে দ্বিতীয় পর্বে। নিজেকে চেনানোর জন্য সেটাই যথেষ্ট ছিল বেঙ্কটেশ আইয়ারের। নিটফল, কয়েকদিন আগেও অচেনা মধ্যপ্রদেশের ব্যাটিং-অলরাউন্ডারের নামটা আপাতত ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের মনের মধ্যে ঢুকে পড়েছে।

প্রথম পর্বে সাত নম্বরে থাকা নাইটদের ফাইনাল সাফারির মূল কারিগরের সাফল্যে মুগ্ধ ভারতীয় ক্রিকেটমহলও। ১০ ম্যাচে ৩৭০ রান ও ৩ উইকেটে সাদামাটা নাইটদের পারফরম্যান্স বদল দেন বেঙ্কটেশ। আগামীদিনে যাকে ভারতীয় দলেও দেখতে পাচ্ছেন অনেকে। সেই বেঙ্কটেশ আবার মজে মহেন্দ্র সিং ধোনিতে।

- Advertisement -

সৌরভ-ভক্ত বেঙ্কটেশ ফাইনালের পর মুখোমুখি হন মাহিভাইয়ের। টিপসও নিয়েছেন ভারতের সফলতম অধিনায়কের থেকেও। ম্যাচ ও ম্যাচের বাইরে এমএসের দুই ব্যক্তিত্বে মন্ত্রমুগ্ধ বেঙ্কটেশ। বুঝেছেন, কেন এমএসকে ক্যাপটেন কুল বলা হয়।

নাইট শিবিরের নয়া তারকার কথায়, সত্যি বলতে, সামনে থেকে এমএস ধোনিকে দেখা আমার কাছে অবিশ্বাস্য ব্যাপার। মাঠে থাকাকালীন মাহিভাইয়ের সবকিছু খুব মন দিয়ে দেখছিলাম। অসম্ভব শান্ত, কোনো কিছুতেই যেন বিচলিত হয় না! মাথা ঠাণ্ডা রেখে ম্যাচের পরিনাম বদলে দেয়। ক্যাপটেন কুল বলে ডাকাটা একেবারে সঠিক।

ফাইনালের চেন্নাইয়ের ১৯২ রানের চ্যালেঞ্জে ভালো টক্কর দিচ্ছিলেন বেঙ্কটেশ-শুভমান গিল ওপেনিং জুটি। দুজনের হাফ সেঞ্চুরি ইনিংসের সুবাদে জয়ের সম্ভাবনাও তৈরি করে নাইট রাইডার্স। কিন্তু মাথা ঠান্ডা রেখে মাহির একের পর এক মাস্টার স্ট্রোকে লাইনচ্যুত নাইটরা। ম্যাচ শেষে বেঙ্কটেশের হারের যন্ত্রণা অনেকটাই কমেছে ধোনির সঙ্গে কথা বলার সুযোগে। বেঙ্কটেশের মতে, তিনি কতটা খুশি ভাষায় বলা সম্ভব নয়।

রঙিন উত্থানের পর অবশ্য এখনই দেশে ফেরা হচ্ছে না। ভারতের বিশ্বকাপ দলের সঙ্গেই আগামী কয়েক সপ্তাহ কাটাবেন। নেট বোলারের দায়িত্বে! যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বেঙ্কটেশ মূলত ব্যাটসম্যান, সঙ্গে পার্টটাইম বোলার। তাহলে নেটবোলারের দায়িত্বে কেন?

বেঙ্কটেশ যদিও বিতর্কে ঢুকতে নারাজ। বরং দেশের কাজে লাগতে পারা নিয়ে খুশি। বলেন, আমাকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নিজের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করব দায়িত্ব পালনের। জানি না আমার জন্য কী ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। শুধু এটুকু বুঝি, বিসিসিআই যখন যেখানে যতটুকু সুযোগ দেবে, নিজের পুরোটা দিতে হবে।