কদর নেই খড়িমাটি-চালের গুঁড়োর আলপনার, চাহিদা বাড়ছে স্টিকারের

159

দিনহাটা: কোজাগরি লক্ষী পুজো মানেই বাঙলির ঘর-বারান্দা আর উঠোনে আলপনার আঁকিবুকি। আর তাই পুজোর দিনে সকাল থেকেই আলপনা আঁকতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন বাড়ির মহিলারা। তবে আধুনিকতার যুগে আলপনার স্টিকার চলে আসায় সেই ব্যস্ততা যেন কোথাও একটা ছেদ পড়েছে। আর তাই দু’দিন বাদে যখন লক্ষ্মী পুজা তখন সেই স্মৃতি হাতড়ে বেড়ান ষটোর্ধ্ব রেণুবালা দাস।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে রেণু বালাদেবী জানান, লক্ষীপুজোর সকাল থেকেই নাড়ু, মোয়া বানানোর পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল বাড়ির উঠোনে ও দাওয়ায় আলপনা আঁকা। আর তাই সব কাজ তাড়াতাড়ি সেরে চাল গুঁড়ো করতে তা দিয়ে বাড়ির উঠোন ও দাওয়ার আঙুলের কৌশলে ফুটিয়ে তোলা হত নানানরকম আলপনা। তবে নবপ্রজন্মের অনেকেই এই রীতিনীতিকে সংক্ষিপ্ত করে নিয়েছে। তারা এখন আর চালের গুঁড়ো দিয়ে আলপনা আঁকে না, বরং তাদের বাড়িতে শোভা পায় রঙিন আলপনার স্টিকার। আর তাই লক্ষ্মী পুজা আসতেই দিনহাটা শহরের একাধিক দশকর্মা ভাণ্ডারের দোকানে দেখা গেল রঙিন আলপনা স্টিকারের সম্ভার।

- Advertisement -

বিক্রেতা বিমল কুমার সাহা জানান, এখন নবীন প্রজন্মের মেয়ে-বউরা আর চাল গুঁড়ো করে আলপনা আঁকেন না। বরং তাঁরা রঙিন আলপনার স্টিকার দিয়েই বাড়ির দাওয়া আর উঠোন সাজিয়ে তোলেন। তাই আলপনার স্টিকারের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে।